ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo প্রবাসী সিটির ‘ইনভেস্টর ফেয়ার ২০২৬’: প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট আবাসন নিশ্চিতের অঙ্গীকার Logo ৯৮০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের কুরবানির মাংস বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

হাওরে শিশুদের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল করার ঘোষণা দিয়েছেন মাহবুবুর রহমান

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০৮:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের পাগনা হাওরে অবস্থিত রসুলপুর গ্রামে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একটি স্কুল স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। হাওরাঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।
রসুলপুর গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের বেশিরভাগই কৃষক ও মৎস্যজীবী। আর্থিক অনটন ও অবকাঠামোগত সংকটে এখানকার শিশুরা এখনো প্রাথমিক শিক্ষার বাইরে। গ্রামের মধ্যে কোনো বিদ্যালয় না থাকায় অনেকেই পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, কেউবা পাশের গ্রামে গিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। বর্ষাকালে পানি বাড়লে স্কুলে যাতায়াত আরও কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।
রসুলপুরের বাসিন্দা সৈয়দুর রহমান বলেন, ‘অনেকেই স্কুল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু কেউ কথা রাখেননি। মাহবুব ভাই গ্রামে এসে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, স্কুল ঘর করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পানি কমলেই কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।’
স্থানীয়দের মতে, জামালগঞ্জ উপজেলার ২০টিরও বেশি গ্রামে এখনো কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক নেতারা শিক্ষার মান উন্নয়নে এভাবে উদ্যোগ নিলে পিছিয়ে পড়া হাওরাঞ্চলও এগিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষার প্রসার। রসুলপুর গ্রামে গিয়ে দেখি, শিশুদের কোনো স্কুল নেই। তারা স্লোগান দিচ্ছিল— আমাদের দাবি, স্কুল চাই।তখনই আমি কথা দিই, নতুন বছরেই তোমরা নিজেদের স্কুলে পড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাওরাঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। নতুন বাংলাদেশে কোনো শিশুকে শিক্ষার বাইরে রাখা যাবে না। হাওরের পানি নেমে গেলে রসুলপুরে স্কুল নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আগামী জানুয়ারি থেকেই শিক্ষার্থীরা সেখানে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। পাশাপাশি যেসব গ্রামে এখনো স্কুল নেই, সেগুলোতেও কীভাবে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

প্রবাসী সিটির ‘ইনভেস্টর ফেয়ার ২০২৬’: প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট আবাসন নিশ্চিতের অঙ্গীকার

হাওরে শিশুদের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল করার ঘোষণা দিয়েছেন মাহবুবুর রহমান

আপডেট সময় ০৮:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের পাগনা হাওরে অবস্থিত রসুলপুর গ্রামে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একটি স্কুল স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। হাওরাঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।
রসুলপুর গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের বেশিরভাগই কৃষক ও মৎস্যজীবী। আর্থিক অনটন ও অবকাঠামোগত সংকটে এখানকার শিশুরা এখনো প্রাথমিক শিক্ষার বাইরে। গ্রামের মধ্যে কোনো বিদ্যালয় না থাকায় অনেকেই পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, কেউবা পাশের গ্রামে গিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। বর্ষাকালে পানি বাড়লে স্কুলে যাতায়াত আরও কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।
রসুলপুরের বাসিন্দা সৈয়দুর রহমান বলেন, ‘অনেকেই স্কুল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু কেউ কথা রাখেননি। মাহবুব ভাই গ্রামে এসে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, স্কুল ঘর করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পানি কমলেই কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।’
স্থানীয়দের মতে, জামালগঞ্জ উপজেলার ২০টিরও বেশি গ্রামে এখনো কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক নেতারা শিক্ষার মান উন্নয়নে এভাবে উদ্যোগ নিলে পিছিয়ে পড়া হাওরাঞ্চলও এগিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষার প্রসার। রসুলপুর গ্রামে গিয়ে দেখি, শিশুদের কোনো স্কুল নেই। তারা স্লোগান দিচ্ছিল— আমাদের দাবি, স্কুল চাই।তখনই আমি কথা দিই, নতুন বছরেই তোমরা নিজেদের স্কুলে পড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাওরাঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। নতুন বাংলাদেশে কোনো শিশুকে শিক্ষার বাইরে রাখা যাবে না। হাওরের পানি নেমে গেলে রসুলপুরে স্কুল নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আগামী জানুয়ারি থেকেই শিক্ষার্থীরা সেখানে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। পাশাপাশি যেসব গ্রামে এখনো স্কুল নেই, সেগুলোতেও কীভাবে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।’