ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি Logo শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত Logo ঈদুল ফিতরে দিরাইয়ের আনোয়ারপুরে পারিবারিক মিলনমেলা,আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জের শিমুলবাঁকে গুণীজন ও প্রবাসী সংবর্ধনা সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo ঈদের বার্তায় সংগঠনকে সুসংহত করার আহ্বান—এইচ এম নাছির Logo ঈদের চেতনায় বিভেদ ভুলে ঐক্যের আহ্বান—আমিনুর রশীদ Logo দুইবারের নির্বাচিত মেম্বার মিজানের কণ্ঠে ঈদের সম্প্রীতির আহ্বান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী আফজাল হোসেন রানার ঈদ শুভেচ্ছা Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন স্পেন শাখার শুভেচ্ছা

শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলায় অবস্থিত লোকনাথ মন্দিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ মার্চ (রোজ শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকায় পাগলা লোকনাথ মন্দির
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, সিলেট-এর সহ-সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শান্তি করানন্দ মহারাজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমৎ হৃদয়ানন্দ মহারাজ, বিশিষ্ট সমাজসেবক পরিমল কান্তি দে, শ্রীমতি ফুলরানী ভট্টাচার্য, শ্রী মিহির দাস পুরকায়স্থ এবং ডাঃ শ্রী দিব্য রঞ্জন দে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী আশীষ কুমার চক্রবর্তী, সভাপতি, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, পিযুষ কান্তি দে সাধারণ সম্পাদক, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা,শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ।
উৎসব উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ, ভক্তিমূলক সংগীত ও ধর্মীয় আলোচনা। ভক্তবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে পরিণত হয়।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জীবনাদর্শ ও মানবকল্যাণমূলক শিক্ষা তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, মানবতা ও ভক্তির চর্চা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, রামকৃষ্ণদেবের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনটি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত

আপডেট সময় ১২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলায় অবস্থিত লোকনাথ মন্দিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ মার্চ (রোজ শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকায় পাগলা লোকনাথ মন্দির
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, সিলেট-এর সহ-সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শান্তি করানন্দ মহারাজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমৎ হৃদয়ানন্দ মহারাজ, বিশিষ্ট সমাজসেবক পরিমল কান্তি দে, শ্রীমতি ফুলরানী ভট্টাচার্য, শ্রী মিহির দাস পুরকায়স্থ এবং ডাঃ শ্রী দিব্য রঞ্জন দে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী আশীষ কুমার চক্রবর্তী, সভাপতি, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, পিযুষ কান্তি দে সাধারণ সম্পাদক, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা,শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ।
উৎসব উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ, ভক্তিমূলক সংগীত ও ধর্মীয় আলোচনা। ভক্তবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে পরিণত হয়।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জীবনাদর্শ ও মানবকল্যাণমূলক শিক্ষা তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, মানবতা ও ভক্তির চর্চা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, রামকৃষ্ণদেবের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনটি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।