ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

সড়কের মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি কাজে আসছেনা অর্ধকোটি টাকার সড়ক

সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বড়পাড়ার নদীর পাড় থেকে পশ্চিম হাজীপাড়া সড়ক এটি। পশ্চিম হাজীপাড়া সড়ক হয়ে মহাসড়কে গিয়ে লেগেছে সড়কটি। একটি বিদ্যুতিক খুঁটির কারণে ব্যবহার করা যাচ্ছে না অর্ধকোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত এই সড়কটি।বড়পাড়ার মানুষের শহরে চলাচল আরও সহজ করতে প্রয়াত মেয়র আয়ুব বখত জগলুল বড়পাড়ার ভাটির বন কিত্তার মাঝ বরাবর একটি সড়ক নির্মাণ করেন। তিনি থাকাকালীন সড়কে মাটি পড়লেও সড়ক পাকাকরণ করা হয় বর্তমান মেয়র নাদের বখতের আমলে। তখন সড়কের মাঝামাঝি স্থানে খুঁটি রেখেই ঢালাই করা হয় সড়ক। ৬ ফুট প্রশস্তের সড়কের মাঝ বরাবর খুঁটি থাকায় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা। যত দ্রুত সম্ভব খুঁটি তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- সড়কের শুরুতেই দাঁড়িয়ে আছে খুঁটি। অন্যান্য সকল খুঁটি সড়কের পাশে হলেও এই একটি খুঁটি সড়কের মধ্যখানে। এতে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। দুইপাশে শুধু হাঁটার মতো জায়গা আছে। স্থানীয়রা জানান, খুঁটিটি সড়ক নির্মাণের আগে থেকেই এখানে। খুঁটি মাঝে রেখেই সড়কের ঢালাই করা হয়। ঢালাইয়ের পরে বিদ্যুৎ বিভাগ সরিয়ে নিবে এই আশা দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সড়ক নির্মাণের কয়েকবছর পার হলেও এখনো খুঁটিটি সড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।ট্রাক চালক শামসুল আলম বললেন, শহরে বালু, পাথর ব্যবসার জন্য বড়পাড়া প্রসিদ্ধ একটি স্থান। এই সড়কের মাঝে খুঁটি না থাকলে আমরা সহজে শহরের যে কোনো জায়গায় মালবাহী ট্রাক নিতে পারতাম। এতে বড়পাড়ার মূল সড়কের উপর চাপ কম পড়তো।স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন রেজা বললেন, খুঁটি রেখেই এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়। দুইপাশে মালিকানা জায়গা থাকায় খুঁটিটি মাঝখানে পড়ে যায়। দ্রুত এই খুঁটি সরিয়ে নিলে আমাদের এলাকার সবার অনেক উপকারে আসবে। অন্যথায় এই সড়ক কোনো কাজে আসবেনা।সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল জানালেন, সড়কটি ব্যক্তিগত জায়গায় নির্মাণ করায় তখন খুঁটি সড়িয়ে সড়ক নির্মাণ করা যায় নি। পরবর্তীতে খুঁটি সরাতে বিদ্যুৎ বিভাগকে মৌখিক ভাবে জানিয়েছি। এখন এটি বিদ্যুৎ বিভাগের কাজ।মৌখিকভাবে জানানোর বিষয় অস্বীকার করে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান বললেন, এমন বিষয় আমি অবগত নই। আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। এতো টাকা ব্যায় করে একটি সড়ক নির্মিত করা হবে। সড়কের কাজ করার আগে এটি সরালে ভালো হন। এখন সড়ক পাকা করে জটিলতা সৃষ্টি করে ফেলেছেন তারা। সড়ক চলাচল উপযোগী করতে পৌরসভা যদি এখনো সরানোর উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা দেব।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

সড়কের মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি কাজে আসছেনা অর্ধকোটি টাকার সড়ক

আপডেট সময় ১০:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বড়পাড়ার নদীর পাড় থেকে পশ্চিম হাজীপাড়া সড়ক এটি। পশ্চিম হাজীপাড়া সড়ক হয়ে মহাসড়কে গিয়ে লেগেছে সড়কটি। একটি বিদ্যুতিক খুঁটির কারণে ব্যবহার করা যাচ্ছে না অর্ধকোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত এই সড়কটি।বড়পাড়ার মানুষের শহরে চলাচল আরও সহজ করতে প্রয়াত মেয়র আয়ুব বখত জগলুল বড়পাড়ার ভাটির বন কিত্তার মাঝ বরাবর একটি সড়ক নির্মাণ করেন। তিনি থাকাকালীন সড়কে মাটি পড়লেও সড়ক পাকাকরণ করা হয় বর্তমান মেয়র নাদের বখতের আমলে। তখন সড়কের মাঝামাঝি স্থানে খুঁটি রেখেই ঢালাই করা হয় সড়ক। ৬ ফুট প্রশস্তের সড়কের মাঝ বরাবর খুঁটি থাকায় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা। যত দ্রুত সম্ভব খুঁটি তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- সড়কের শুরুতেই দাঁড়িয়ে আছে খুঁটি। অন্যান্য সকল খুঁটি সড়কের পাশে হলেও এই একটি খুঁটি সড়কের মধ্যখানে। এতে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। দুইপাশে শুধু হাঁটার মতো জায়গা আছে। স্থানীয়রা জানান, খুঁটিটি সড়ক নির্মাণের আগে থেকেই এখানে। খুঁটি মাঝে রেখেই সড়কের ঢালাই করা হয়। ঢালাইয়ের পরে বিদ্যুৎ বিভাগ সরিয়ে নিবে এই আশা দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সড়ক নির্মাণের কয়েকবছর পার হলেও এখনো খুঁটিটি সড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।ট্রাক চালক শামসুল আলম বললেন, শহরে বালু, পাথর ব্যবসার জন্য বড়পাড়া প্রসিদ্ধ একটি স্থান। এই সড়কের মাঝে খুঁটি না থাকলে আমরা সহজে শহরের যে কোনো জায়গায় মালবাহী ট্রাক নিতে পারতাম। এতে বড়পাড়ার মূল সড়কের উপর চাপ কম পড়তো।স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন রেজা বললেন, খুঁটি রেখেই এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়। দুইপাশে মালিকানা জায়গা থাকায় খুঁটিটি মাঝখানে পড়ে যায়। দ্রুত এই খুঁটি সরিয়ে নিলে আমাদের এলাকার সবার অনেক উপকারে আসবে। অন্যথায় এই সড়ক কোনো কাজে আসবেনা।সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল জানালেন, সড়কটি ব্যক্তিগত জায়গায় নির্মাণ করায় তখন খুঁটি সড়িয়ে সড়ক নির্মাণ করা যায় নি। পরবর্তীতে খুঁটি সরাতে বিদ্যুৎ বিভাগকে মৌখিক ভাবে জানিয়েছি। এখন এটি বিদ্যুৎ বিভাগের কাজ।মৌখিকভাবে জানানোর বিষয় অস্বীকার করে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান বললেন, এমন বিষয় আমি অবগত নই। আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। এতো টাকা ব্যায় করে একটি সড়ক নির্মিত করা হবে। সড়কের কাজ করার আগে এটি সরালে ভালো হন। এখন সড়ক পাকা করে জটিলতা সৃষ্টি করে ফেলেছেন তারা। সড়ক চলাচল উপযোগী করতে পৌরসভা যদি এখনো সরানোর উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা দেব।