জামালগঞ্জ(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি
অজিত কুমার রায়। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব। হাতে দামি ঘড়ি। ব্যবহার করেন দামি ফোন। তিনি বর্তমানে ভীম খালি ইউনিয়নে কর্মরত আছেন। চাকরি শুরু থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়নের সচিবের কাজ করে আসছেন। দেখতে ভুলাভালা সহজ সরল। চতুর অজিত চাকরির সুবাদে আলাদিনের চেরাগ চিনতে ভুল করেনি। যখন যা ইচ্ছে তাই করেছেন। চাকরির নিয়ম শৃঙ্খলা তোয়াক্কা না করে নিজের নিয়মই চলতে বেশি পছন্দ করেন। যেখানে কাজ করেন সেই কর্মস্থলে নিজের দাপট কাটিয়ে জায়গা করে নেন। বেতন স্কেলের ১৪ তম গ্রেড। বেতন ১০২০০ থেকে শুরু হয়। এই অল্প বেতনে সংসার চলতে খুব হিমশিম খায় সাধারণ মানুষের। কিন্তু অজিতের কোন সমস্যা হয় না। কারণ উনি কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন বিগত হাসিনা সরকারের আমলে। লোপাট করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত অবস্থায় ইউনিয়নের রাজস্ব খাত।
সাদাসিধা জীবন যাপন করে মানুষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কামিছেন টাকা। নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। জামালগঞ্জে জায়গা সহ বাসা নির্মাণে প্রায় কোটি টাকা খরচ করেছেন। সুনামগঞ্জ এবং সিলেটে বউয়ের নামে কিনেছেন প্লট।
প্রশ্ন হল মাত্র অল্প টাকা বেতনে কিভাবে এসব সাম্রাজ্য করেছে?