ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ছাতকে থানা পুলিশের অভিযানে রাজনৈতিক ও সিআর মামলায় গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ বাংলাদেশ: সতর্কতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন – ইমরান হোসেন হিমু Logo শান্তিগঞ্জে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র অন্যতম সহ-সভাপতি এম,এ ছাত্তারের পক্ষে গণসংযোগ Logo অপারেশন ডেভিল হান্ট, শান্তিগঞ্জে আ.লীগের উপদেষ্টা ছোয়াব আলী গ্রেফতার Logo শান্তিগঞ্জে জমি সংক্রান্ত জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫ Logo শান্তিগঞ্জে স্কুল ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু-ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Logo শান্তিগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা Logo বিমসটেক ও বাংলাদেশ: নেতৃত্বের নতুন দিগন্ত Logo শান্তিগঞ্জে ধান শুকানোর জায়গা দখল নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ Logo জেলা পুলিশ লাইন্সে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত

জলমহালে অবৈধভাবে মাছ আহরণ রোধে জনসচেতনতা কার্যক্রম ও প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০৫:১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই, শাল্লা ও জামালগঞ্জ থানার বিভিন্ন জলমহালে দলবদ্ধভাবে স্থানীয় গ্রামবাসী ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া ও তাদের অনুপস্থিতিতে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর দিরাই থানাধীন শ্যামারচর এলাকায় সচেতনতামূলক সভা করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্ব) তাপস রঞ্জন ঘোষ স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তারা বলেন, জলমহালের ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া তাদের অনুপস্থিতিতে মাছ আহরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং অনৈতিক। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে এবং কেউ বেআইনিভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ আহরণকারীদের গ্রেফতারপূর্বক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, জলমহালের সম্পদ রক্ষায় জনগণকে সচেতন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণে যুক্ত হতে না পারে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দিরাই ও শাল্লা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাতকে থানা পুলিশের অভিযানে রাজনৈতিক ও সিআর মামলায় গ্রেফতার ২

জলমহালে অবৈধভাবে মাছ আহরণ রোধে জনসচেতনতা কার্যক্রম ও প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০৫:১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই, শাল্লা ও জামালগঞ্জ থানার বিভিন্ন জলমহালে দলবদ্ধভাবে স্থানীয় গ্রামবাসী ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া ও তাদের অনুপস্থিতিতে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর দিরাই থানাধীন শ্যামারচর এলাকায় সচেতনতামূলক সভা করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্ব) তাপস রঞ্জন ঘোষ স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তারা বলেন, জলমহালের ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া তাদের অনুপস্থিতিতে মাছ আহরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং অনৈতিক। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে এবং কেউ বেআইনিভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ আহরণকারীদের গ্রেফতারপূর্বক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, জলমহালের সম্পদ রক্ষায় জনগণকে সচেতন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণে যুক্ত হতে না পারে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দিরাই ও শাল্লা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।