ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে, দেড় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন রাজিব Logo পাথারিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ১১৪১ জনের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ Logo ঈদের আগেই মাওলানা মুশতাক গাজীনগরী হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি Logo শান্তিগঞ্জে দরগাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শান্তিগঞ্জে ধান শুকানোর খলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫ Logo বিশ্ব এতিম দিবস উপলক্ষে দিরাইয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo পাথারিয়ায় ২৫০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিডি চাল বিতরণ Logo ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে শান্তিগঞ্জে জামায়াতের ইফতার মাহফিল

জলমহালে অবৈধভাবে মাছ আহরণ রোধে জনসচেতনতা কার্যক্রম ও প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০৫:১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • ৬০২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই, শাল্লা ও জামালগঞ্জ থানার বিভিন্ন জলমহালে দলবদ্ধভাবে স্থানীয় গ্রামবাসী ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া ও তাদের অনুপস্থিতিতে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর দিরাই থানাধীন শ্যামারচর এলাকায় সচেতনতামূলক সভা করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্ব) তাপস রঞ্জন ঘোষ স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তারা বলেন, জলমহালের ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া তাদের অনুপস্থিতিতে মাছ আহরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং অনৈতিক। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে এবং কেউ বেআইনিভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ আহরণকারীদের গ্রেফতারপূর্বক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, জলমহালের সম্পদ রক্ষায় জনগণকে সচেতন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণে যুক্ত হতে না পারে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দিরাই ও শাল্লা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে, দেড় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন রাজিব

জলমহালে অবৈধভাবে মাছ আহরণ রোধে জনসচেতনতা কার্যক্রম ও প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০৫:১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই, শাল্লা ও জামালগঞ্জ থানার বিভিন্ন জলমহালে দলবদ্ধভাবে স্থানীয় গ্রামবাসী ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া ও তাদের অনুপস্থিতিতে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (৭ মার্চ) জুমার নামাজের পর দিরাই থানাধীন শ্যামারচর এলাকায় সচেতনতামূলক সভা করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্ব) তাপস রঞ্জন ঘোষ স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তারা বলেন, জলমহালের ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া তাদের অনুপস্থিতিতে মাছ আহরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং অনৈতিক। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে এবং কেউ বেআইনিভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ আহরণকারীদের গ্রেফতারপূর্বক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, জলমহালের সম্পদ রক্ষায় জনগণকে সচেতন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে জলমহালের সম্পদ দখল বা আহরণে যুক্ত হতে না পারে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দিরাই ও শাল্লা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।