ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব Logo শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন Logo মহা অষ্টমীতে শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে ২৬২.৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত Logo শান্তিগঞ্জে ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত ভূমির সীমানা নির্ধারণ Logo শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি, সভাপতি মানিক লাল সম্পাদক সুধা রঞ্জন Logo শান্তিগঞ্জে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার Logo শান্তিগঞ্জে বশির উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo তরুণ প্রজন্মকে নজরুল চর্চার আহ্বান জানালেন কয়ছর আহমদ

শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০৬:১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে পৃথকভাবে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
দশমীর সকাল থেকেই পূজামণ্ডপগুলোতে বেজে ওঠে দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর। ভক্তদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর দুপুর থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। এ বছর শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ২২টি সার্বজনীন পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের তেঘরিয়া দুর্গামন্দিরের প্রতিমা বিকেল ২টার দিকে সদরপুর নদীর পাড়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। এর আগে সদরপুর অষ্টগ্রাম পূজামণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ছাড়া মহাসিং নদীর ডাবর ও নাইন্দা নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।
প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সদরপুর নদী ও ডাবর এলাকার মহাসিং নদীর দুই পাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। আনন্দ, আবেগ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান।
হিন্দুধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের ভেতরের অসুরিক প্রবৃত্তি—কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসা পরিত্যাগ করাই বিজয়া দশমীর মূল শিক্ষা। পাশাপাশি পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তাও বহন করে এ উৎসব।
প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়োজক কমিটির সদস্যরা।
সার্বিক বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল চাকমা জানান, এ বছর শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ২২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পূজামণ্ডপের প্রতিমা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি দুটি মণ্ডপ স্থায়ী হওয়ায় সেখানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজার সূচনা থেকে শুরু করে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত পুরো আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব

শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব

আপডেট সময় ০৬:১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে পৃথকভাবে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
দশমীর সকাল থেকেই পূজামণ্ডপগুলোতে বেজে ওঠে দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর। ভক্তদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর দুপুর থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। এ বছর শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ২২টি সার্বজনীন পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের তেঘরিয়া দুর্গামন্দিরের প্রতিমা বিকেল ২টার দিকে সদরপুর নদীর পাড়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। এর আগে সদরপুর অষ্টগ্রাম পূজামণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ছাড়া মহাসিং নদীর ডাবর ও নাইন্দা নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।
প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সদরপুর নদী ও ডাবর এলাকার মহাসিং নদীর দুই পাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। আনন্দ, আবেগ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান।
হিন্দুধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের ভেতরের অসুরিক প্রবৃত্তি—কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসা পরিত্যাগ করাই বিজয়া দশমীর মূল শিক্ষা। পাশাপাশি পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তাও বহন করে এ উৎসব।
প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়োজক কমিটির সদস্যরা।
সার্বিক বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল চাকমা জানান, এ বছর শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ২২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পূজামণ্ডপের প্রতিমা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি দুটি মণ্ডপ স্থায়ী হওয়ায় সেখানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজার সূচনা থেকে শুরু করে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত পুরো আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।