ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক Logo শান্তিগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ১০ম নোয়াখালী প্রিমিয়ার লীগের শুভ উদ্বোধন Logo ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিগঞ্জের তৈয়বুর রহমান Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন Logo শান্তিগঞ্জে সম্প্রসারিত বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব Logo শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন Logo মহা অষ্টমীতে শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে ২৬২.৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত Logo শান্তিগঞ্জে ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত ভূমির সীমানা নির্ধারণ

ঘরে খাবার নেই, আর্থিক সংকটে স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা

শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি বস্ত্র কারখানায় কাজ করেন প্রিয়দর্শিনী। চরম অভাবে অনটনে দিন পার করতে হচ্ছে তাকে ও তার পরিবারকে।  ঘরে তার খাবার না থাকায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছেন না তিনি। চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে তার পরিবার এখন দিনে মাত্র একবার কিছু সবজি দিয়ে ভাত খাচ্ছে। কোনো কোনো দিন তা-ও জুটছে না। বাড়িতে খাবার নেই, চাল-ডাল কেনার পয়সা নেই। এ অবস্থায় সন্তানদের কীভাবে স্কুলে পাঠাবেন তা ভেবে কুল পাচ্ছেন না এ লঙ্কান নারী। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রিয়দর্শিনী একাই নন, একই দশা শ্রীলঙ্কার আরও অনেকের। দেশটির বহু এলাকায় যথেষ্ট খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। পেলেও দাম আকাশছোঁয়া। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন প্রিয়দর্শিনীর মতো গরিব মানুষেরা।

সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, গত মাসে শ্রীলঙ্কার ৩৬ শতাংশ পরিবার নিয়মিত খাবার পায়নি। গত জুনে ইউনিসেফ জানিয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটিতে অন্তত ৫৬ হাজার শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে।

খালি পেটে পড়াশোনা হয় না। প্রিয়দর্শিনী জানান স্কুলে কিছু শিশু টিফিন বিরতিতে খাবার খাচ্ছে। কিন্তু আমার বাচ্চাদের কাছে কোনো খাবার নেই। আমি কীভাবে ওদের স্কুলে পাঠাবো?

প্রিয়দর্শিনীর ১৩ বছর বয়সী ছেলে তবু জোর করে স্কুলে যাচ্ছে। খালি পেটেই পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চেয়েছে সে। কিন্তু ছয় বছরের মেয়ে কী করবে? অতটুকু বাচ্চা তো ক্ষুধা ভুলে পড়তে পারে না।

খাবার না পাওয়ায় কতজন শিশু স্কুলে যাচ্ছে না, সেই সংখ্যা জানায়নি শ্রীলঙ্কার সরকার। তবে গত জুন মাসে জাতিসংঘের প্রতিবেদন বলছে, যেসব স্কুলে খাবার দেওয়া হয় না, সেখানে শিশু শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে না।

ইউনিসেফের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কিছু এলকায় শিশুদের স্কুলে যাওয়ার হার কমে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলঙ্কার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব তারা ডি মেল বলেছেন, খাবার পেলেই শিশুরা স্কুলে ফিরবে। না হলে গ্রামের দিকে বা যেসব স্কুলে গরিব শিশুরা পড়ে, তারা খালি পেটে স্কুলে যাবে না।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক

ঘরে খাবার নেই, আর্থিক সংকটে স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০৯:৩১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি বস্ত্র কারখানায় কাজ করেন প্রিয়দর্শিনী। চরম অভাবে অনটনে দিন পার করতে হচ্ছে তাকে ও তার পরিবারকে।  ঘরে তার খাবার না থাকায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছেন না তিনি। চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে তার পরিবার এখন দিনে মাত্র একবার কিছু সবজি দিয়ে ভাত খাচ্ছে। কোনো কোনো দিন তা-ও জুটছে না। বাড়িতে খাবার নেই, চাল-ডাল কেনার পয়সা নেই। এ অবস্থায় সন্তানদের কীভাবে স্কুলে পাঠাবেন তা ভেবে কুল পাচ্ছেন না এ লঙ্কান নারী। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রিয়দর্শিনী একাই নন, একই দশা শ্রীলঙ্কার আরও অনেকের। দেশটির বহু এলাকায় যথেষ্ট খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। পেলেও দাম আকাশছোঁয়া। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন প্রিয়দর্শিনীর মতো গরিব মানুষেরা।

সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, গত মাসে শ্রীলঙ্কার ৩৬ শতাংশ পরিবার নিয়মিত খাবার পায়নি। গত জুনে ইউনিসেফ জানিয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটিতে অন্তত ৫৬ হাজার শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে।

খালি পেটে পড়াশোনা হয় না। প্রিয়দর্শিনী জানান স্কুলে কিছু শিশু টিফিন বিরতিতে খাবার খাচ্ছে। কিন্তু আমার বাচ্চাদের কাছে কোনো খাবার নেই। আমি কীভাবে ওদের স্কুলে পাঠাবো?

প্রিয়দর্শিনীর ১৩ বছর বয়সী ছেলে তবু জোর করে স্কুলে যাচ্ছে। খালি পেটেই পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চেয়েছে সে। কিন্তু ছয় বছরের মেয়ে কী করবে? অতটুকু বাচ্চা তো ক্ষুধা ভুলে পড়তে পারে না।

খাবার না পাওয়ায় কতজন শিশু স্কুলে যাচ্ছে না, সেই সংখ্যা জানায়নি শ্রীলঙ্কার সরকার। তবে গত জুন মাসে জাতিসংঘের প্রতিবেদন বলছে, যেসব স্কুলে খাবার দেওয়া হয় না, সেখানে শিশু শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে না।

ইউনিসেফের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কিছু এলকায় শিশুদের স্কুলে যাওয়ার হার কমে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলঙ্কার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব তারা ডি মেল বলেছেন, খাবার পেলেই শিশুরা স্কুলে ফিরবে। না হলে গ্রামের দিকে বা যেসব স্কুলে গরিব শিশুরা পড়ে, তারা খালি পেটে স্কুলে যাবে না।