ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Logo গণহত্যা দিবসে শান্তিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ তালেব ও কৃপেন্দ্র দাশের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ Logo সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি Logo শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত Logo ঈদুল ফিতরে দিরাইয়ের আনোয়ারপুরে পারিবারিক মিলনমেলা,আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জের শিমুলবাঁকে গুণীজন ও প্রবাসী সংবর্ধনা সম্পন্ন

বিজয়ের মাসের স্মৃতিচারণ- আব্দুজ জাহির

ডিসেম্বর মাস, বিজয়ের মাস। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন যারা মুক্তি যুদ্ধে জীবন মরন লড়েছিলেন তাদের কথা না লিখে কি হয়?
মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস আমার মামা ও মরহুম মোঃ আবদুল আউয়াল আমার মিয়া ভাই যাদের একনামে সুনামগঞ্জ জেলার সবাই জানতো ও চিনতো। ছিলেন মুক্তি যুদ্ধের সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা। ছিলেন দিরাই উপজেলা আওয়ামিলীগের কর্ণধার। আজ এ দু’জন পৃথিবীতে নেই। সবার কাছ বিস্মৃতির অন্তরালে হলেও তাদের কর্মফল দেশ থেকে মুছে ফেলা যাবে না।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর মিয়া আমার মামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম আমার ইমেডিয়েট বড় ভাই। তিনি ৬ ডিসেম্বর শ্যামারচর সম্মুখ যুদ্ধে বুকে গুলি খেয়েও দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পর বেঁচে গিয়েছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েক সুবাদার ফয়জুর রহমান আমার চাচাতো ভাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাদিক মিয়া মাষ্টার আমার ভাতিজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল কাইয়ুম আমার আরেক মামা।
নয় মাস যুদ্ধের পর আবার তাদের সাথে দেখা হবে এমন ধারণা আমাদের ছিল না। তারা সেই অসম্ভবকে জয় করে বীর বিক্রমে নিজ গৃহে ফিরে এসেছিলেন। কারণ আল্লাহ সহায় ছিলেন। যুদ্ধ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের যুদ্ধ।
তারা যুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর ডাকে কেবল তাদের পরিবার বা গোষ্ঠীর জন্য নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য মুক্তির জন্য । এই সফলতাই তাদের জীবনের সার্থকতা।
বিজয় মাসের স্মৃতিচারণ করে জীবিত পাঁচজনকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। কামনা করি দীর্ঘায়ু।
মরহুম দু’জনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং আল্লাহ যেন তাদের কবরকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মোকাম দান করেন, আমিন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত

বিজয়ের মাসের স্মৃতিচারণ- আব্দুজ জাহির

আপডেট সময় ১১:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

ডিসেম্বর মাস, বিজয়ের মাস। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন যারা মুক্তি যুদ্ধে জীবন মরন লড়েছিলেন তাদের কথা না লিখে কি হয়?
মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস আমার মামা ও মরহুম মোঃ আবদুল আউয়াল আমার মিয়া ভাই যাদের একনামে সুনামগঞ্জ জেলার সবাই জানতো ও চিনতো। ছিলেন মুক্তি যুদ্ধের সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা। ছিলেন দিরাই উপজেলা আওয়ামিলীগের কর্ণধার। আজ এ দু’জন পৃথিবীতে নেই। সবার কাছ বিস্মৃতির অন্তরালে হলেও তাদের কর্মফল দেশ থেকে মুছে ফেলা যাবে না।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর মিয়া আমার মামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম আমার ইমেডিয়েট বড় ভাই। তিনি ৬ ডিসেম্বর শ্যামারচর সম্মুখ যুদ্ধে বুকে গুলি খেয়েও দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পর বেঁচে গিয়েছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েক সুবাদার ফয়জুর রহমান আমার চাচাতো ভাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাদিক মিয়া মাষ্টার আমার ভাতিজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল কাইয়ুম আমার আরেক মামা।
নয় মাস যুদ্ধের পর আবার তাদের সাথে দেখা হবে এমন ধারণা আমাদের ছিল না। তারা সেই অসম্ভবকে জয় করে বীর বিক্রমে নিজ গৃহে ফিরে এসেছিলেন। কারণ আল্লাহ সহায় ছিলেন। যুদ্ধ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের যুদ্ধ।
তারা যুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর ডাকে কেবল তাদের পরিবার বা গোষ্ঠীর জন্য নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য মুক্তির জন্য । এই সফলতাই তাদের জীবনের সার্থকতা।
বিজয় মাসের স্মৃতিচারণ করে জীবিত পাঁচজনকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। কামনা করি দীর্ঘায়ু।
মরহুম দু’জনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং আল্লাহ যেন তাদের কবরকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মোকাম দান করেন, আমিন।