ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Logo গণহত্যা দিবসে শান্তিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ তালেব ও কৃপেন্দ্র দাশের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ Logo সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি Logo শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত Logo ঈদুল ফিতরে দিরাইয়ের আনোয়ারপুরে পারিবারিক মিলনমেলা,আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জের শিমুলবাঁকে গুণীজন ও প্রবাসী সংবর্ধনা সম্পন্ন

শান্তিগঞ্জে গাজীনগর সাতঘরিয়া গোষ্ঠীর উদ্যোগে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:
সমাজে যখন হানাহানি, বিবাদ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব বেড়ে চলেছে, তখন এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাজিনগর গ্রামের সাতঘরিয়া গোষ্ঠী। পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে তারা আয়োজন করেছে এক দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণের।
বুধবার(১৭সেপ্টেম্বর)সকাল ৮ঘটিকায় গাজিনগর থেকে গাড়িবহর নিয়ে যাত্রা শুরু করে গোষ্ঠীর সদস্যরা। গন্তব্য ছিল সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা জাফলং। ভ্রমণে শিশু, কিশোর, তরুণ ও বয়স্ক সবাই অংশগ্রহণ করেন। নানা আয়োজন ভ্রমণকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
এই আনন্দ ভ্রমণের নেতৃত্ব দেন জিয়াউর রহমান, আজমল হোসেন, মিলন মিয়া, মারজান আহমদ, সওার মিয়া, জুয়েল, হাবিল, আরমান, তসলিম উদ্দিন, মুসা, লুতফুর মিয়া, রুবেল, ইমরান, ইমন, মাহি, ফিয়াস ও মারজান মিয়া।
গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন নয়, বরং ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে দৃঢ় করা। এক অংশগ্রহণকারী বলেন, “এটা শুধু ভ্রমণ নয়, নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার দিন। আমরা চাই একে অপরের কথা শুনি, বুঝি ও পাশে থাকি।”
বিদেশে অবস্থানরত গোষ্ঠীর সদস্যরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, দূরে থেকেও মনেপ্রাণে আছেন এই আয়োজনে এবং ভবিষ্যতে দেশে এসে অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ভ্রমণ শেষে গোষ্ঠীর নেতারা একে অপরকে ধন্যবাদ জানান এবং ঐক্য ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, “শান্তি চাইলে আগে পরিবার ও গোষ্ঠীতে শান্তি আনতে হবে। আমাদের এই ছোট উদ্যোগ হয়তো অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেয় — সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভালোবাসাই পারে সামাজিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত

শান্তিগঞ্জে গাজীনগর সাতঘরিয়া গোষ্ঠীর উদ্যোগে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত

আপডেট সময় ০২:১৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
সমাজে যখন হানাহানি, বিবাদ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব বেড়ে চলেছে, তখন এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাজিনগর গ্রামের সাতঘরিয়া গোষ্ঠী। পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে তারা আয়োজন করেছে এক দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণের।
বুধবার(১৭সেপ্টেম্বর)সকাল ৮ঘটিকায় গাজিনগর থেকে গাড়িবহর নিয়ে যাত্রা শুরু করে গোষ্ঠীর সদস্যরা। গন্তব্য ছিল সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা জাফলং। ভ্রমণে শিশু, কিশোর, তরুণ ও বয়স্ক সবাই অংশগ্রহণ করেন। নানা আয়োজন ভ্রমণকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
এই আনন্দ ভ্রমণের নেতৃত্ব দেন জিয়াউর রহমান, আজমল হোসেন, মিলন মিয়া, মারজান আহমদ, সওার মিয়া, জুয়েল, হাবিল, আরমান, তসলিম উদ্দিন, মুসা, লুতফুর মিয়া, রুবেল, ইমরান, ইমন, মাহি, ফিয়াস ও মারজান মিয়া।
গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন নয়, বরং ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে দৃঢ় করা। এক অংশগ্রহণকারী বলেন, “এটা শুধু ভ্রমণ নয়, নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার দিন। আমরা চাই একে অপরের কথা শুনি, বুঝি ও পাশে থাকি।”
বিদেশে অবস্থানরত গোষ্ঠীর সদস্যরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, দূরে থেকেও মনেপ্রাণে আছেন এই আয়োজনে এবং ভবিষ্যতে দেশে এসে অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ভ্রমণ শেষে গোষ্ঠীর নেতারা একে অপরকে ধন্যবাদ জানান এবং ঐক্য ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, “শান্তি চাইলে আগে পরিবার ও গোষ্ঠীতে শান্তি আনতে হবে। আমাদের এই ছোট উদ্যোগ হয়তো অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেয় — সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভালোবাসাই পারে সামাজিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে।