ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে, দেড় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন রাজিব Logo পাথারিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ১১৪১ জনের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ Logo ঈদের আগেই মাওলানা মুশতাক গাজীনগরী হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি Logo শান্তিগঞ্জে দরগাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শান্তিগঞ্জে ধান শুকানোর খলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫ Logo বিশ্ব এতিম দিবস উপলক্ষে দিরাইয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo পাথারিয়ায় ২৫০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিডি চাল বিতরণ Logo ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে শান্তিগঞ্জে জামায়াতের ইফতার মাহফিল

উদ্দেশ ইতালি, ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৪০ জন

ইতালি-তিউনিসিয়ার মাঝামাঝি ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪০ নিখোঁজ রয়েছেন। তবে কপালজোরে জীবিত উদ্ধার হয়েছেন কয়েকজন। বেঁচে যাওয়া চার আরোহীর বরাতে শুক্রবার (২৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। খবর রয়টার্সের।

জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া আরোহীরা সবাই সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের বাসিন্দা। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তারা ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছান। এর আগে, একটি জাহাজ তাদের নৌকাডুবির স্থান থেকে উদ্ধার করে।

জীবিত আরোহীরা জানিয়েছেন, তারা মোট ৪৬ জন তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্স বন্দর থেকে ইতালির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলেন। কিন্তু প্রবল বাতাসে তাদের নৌকাটি ডুবে যায়।

এই চার অভিবাসনপ্রত্যাশীর মতে, তাদের সঙ্গে থাকা আরও চার-পাঁচজনকে আরেকটি জাহাজ তুলে নিয়েছিল। বাকি ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে সাতজন নারী এবং একটি শিশুও ছিল।

এর আগে, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনও দুর্ঘটনার বিষয়ে একই তথ্য দিয়েছিল। তবে তারা নিখোঁজদের সংখ্যা ৪০ বলে উল্লেখ করেছিল।

সাব-সাহারান আফ্রিকা থেকে যাওয়া অবৈধ বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে তিউনিস কর্তৃপক্ষের কঠোর অভিযান, অর্থনৈতিক মন্দা ও বর্ণবাদী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর তিউনিসিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপমুখী অভিবাসন বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বলেছেন, তিউনিসিয়ার কাছে তিনটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জন আফ্রিকান অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তিনজন মারা গেছেন। এছাড়া, দেশটির উপকূলরক্ষীরা ১৫২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছেন।

তবে যে চার জীবিত ব্যক্তি আইওএম’র কাছে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছিলেন, তারা ওই তিনটি নৌকার একটিতে ছিলেন কি না তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে, দেড় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন রাজিব

উদ্দেশ ইতালি, ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৪০ জন

আপডেট সময় ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

ইতালি-তিউনিসিয়ার মাঝামাঝি ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪০ নিখোঁজ রয়েছেন। তবে কপালজোরে জীবিত উদ্ধার হয়েছেন কয়েকজন। বেঁচে যাওয়া চার আরোহীর বরাতে শুক্রবার (২৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। খবর রয়টার্সের।

জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া আরোহীরা সবাই সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের বাসিন্দা। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তারা ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছান। এর আগে, একটি জাহাজ তাদের নৌকাডুবির স্থান থেকে উদ্ধার করে।

জীবিত আরোহীরা জানিয়েছেন, তারা মোট ৪৬ জন তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্স বন্দর থেকে ইতালির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলেন। কিন্তু প্রবল বাতাসে তাদের নৌকাটি ডুবে যায়।

এই চার অভিবাসনপ্রত্যাশীর মতে, তাদের সঙ্গে থাকা আরও চার-পাঁচজনকে আরেকটি জাহাজ তুলে নিয়েছিল। বাকি ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে সাতজন নারী এবং একটি শিশুও ছিল।

এর আগে, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনও দুর্ঘটনার বিষয়ে একই তথ্য দিয়েছিল। তবে তারা নিখোঁজদের সংখ্যা ৪০ বলে উল্লেখ করেছিল।

সাব-সাহারান আফ্রিকা থেকে যাওয়া অবৈধ বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে তিউনিস কর্তৃপক্ষের কঠোর অভিযান, অর্থনৈতিক মন্দা ও বর্ণবাদী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর তিউনিসিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপমুখী অভিবাসন বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বলেছেন, তিউনিসিয়ার কাছে তিনটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জন আফ্রিকান অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তিনজন মারা গেছেন। এছাড়া, দেশটির উপকূলরক্ষীরা ১৫২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছেন।

তবে যে চার জীবিত ব্যক্তি আইওএম’র কাছে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছিলেন, তারা ওই তিনটি নৌকার একটিতে ছিলেন কি না তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।