ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলায় অবস্থিত লোকনাথ মন্দিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ মার্চ (রোজ শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকায় পাগলা লোকনাথ মন্দির
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, সিলেট-এর সহ-সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শান্তি করানন্দ মহারাজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমৎ হৃদয়ানন্দ মহারাজ, বিশিষ্ট সমাজসেবক পরিমল কান্তি দে, শ্রীমতি ফুলরানী ভট্টাচার্য, শ্রী মিহির দাস পুরকায়স্থ এবং ডাঃ শ্রী দিব্য রঞ্জন দে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী আশীষ কুমার চক্রবর্তী, সভাপতি, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, পিযুষ কান্তি দে সাধারণ সম্পাদক, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা,শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ।
উৎসব উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ, ভক্তিমূলক সংগীত ও ধর্মীয় আলোচনা। ভক্তবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে পরিণত হয়।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জীবনাদর্শ ও মানবকল্যাণমূলক শিক্ষা তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, মানবতা ও ভক্তির চর্চা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, রামকৃষ্ণদেবের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনটি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত

আপডেট সময় ১২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলায় অবস্থিত লোকনাথ মন্দিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ মার্চ (রোজ শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকায় পাগলা লোকনাথ মন্দির
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, সিলেট-এর সহ-সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শান্তি করানন্দ মহারাজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমৎ হৃদয়ানন্দ মহারাজ, বিশিষ্ট সমাজসেবক পরিমল কান্তি দে, শ্রীমতি ফুলরানী ভট্টাচার্য, শ্রী মিহির দাস পুরকায়স্থ এবং ডাঃ শ্রী দিব্য রঞ্জন দে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী আশীষ কুমার চক্রবর্তী, সভাপতি, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, পিযুষ কান্তি দে সাধারণ সম্পাদক, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, পাগলা,শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ।
উৎসব উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ, ভক্তিমূলক সংগীত ও ধর্মীয় আলোচনা। ভক্তবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশে পরিণত হয়।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জীবনাদর্শ ও মানবকল্যাণমূলক শিক্ষা তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, মানবতা ও ভক্তির চর্চা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, রামকৃষ্ণদেবের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনটি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।