ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা

‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক’

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক। তিনি আজীবন বাঙালি সংস্কৃতির চেতনাকে ধারণ ও লালন করেছেন।

রবিবার (১১ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর সাংস্কৃতিক ভাবনা’ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় জাদুঘর এ আয়োজন করে।

কে এম খালিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ততদিন পরিপূর্ণ হবে না যতদিন না সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়। জাতির পিতার পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প প্রতিষ্ঠান। তিনিই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ গানকে আমাদের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে ভারতের কোলকাতা থেকে ঢাকায় আনেন।’

বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের অগ্রপথিক ছিলেন মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দিন যতই গড়াচ্ছে, ভাষা আন্দোলনে ও বাঙালি সংস্কৃতির সুরক্ষায় জাতির পিতার অবদানের কথা নিত্যনতুনভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসতে পারে, বঙ্গবন্ধু তা আগেভাগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন। ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির আগে ১৯৪৭ সালের ৭ জুলাই এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা তৎকালীন ভারতের ইত্তেহাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন– সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাতেমা কাওসার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা

‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক’

আপডেট সময় ০৭:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক। তিনি আজীবন বাঙালি সংস্কৃতির চেতনাকে ধারণ ও লালন করেছেন।

রবিবার (১১ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর সাংস্কৃতিক ভাবনা’ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় জাদুঘর এ আয়োজন করে।

কে এম খালিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ততদিন পরিপূর্ণ হবে না যতদিন না সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়। জাতির পিতার পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প প্রতিষ্ঠান। তিনিই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ গানকে আমাদের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে ভারতের কোলকাতা থেকে ঢাকায় আনেন।’

বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের অগ্রপথিক ছিলেন মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দিন যতই গড়াচ্ছে, ভাষা আন্দোলনে ও বাঙালি সংস্কৃতির সুরক্ষায় জাতির পিতার অবদানের কথা নিত্যনতুনভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসতে পারে, বঙ্গবন্ধু তা আগেভাগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন। ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির আগে ১৯৪৭ সালের ৭ জুলাই এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা তৎকালীন ভারতের ইত্তেহাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন– সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাতেমা কাওসার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।