ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে এক গৃহবধূ (১৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। রোববার (১৮ জুন) ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় মামলা করেন।
মামলার আসমিরা হলেন— উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর নবীর ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৫), একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ (৩০) ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলাউদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার এক গৃহবধূ তার স্বামীর সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর সুইচ গেইট এলাকায় ঘুরতে যান। সুইজ গেইট পার হয়ে পূর্বদিকে বাগানের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় আসামি জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল উদ্দিন ছুরি ও দেশিয় অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ভুক্তভোগী ও তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখান। একপর্যায়ে তিন আসামি ভুক্তভোগীর স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে ওই গৃহবধূকে বাগানে নিয়ে তারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।
মুছাপুরের স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মুছাপুর ক্লোজার এলাকায় স্থানীয় জলদস্যু বাহিনী বালু উত্তোলন, খাস জায়গা দখল, ঘুরতে যাওয়া নারীদের ধর্ষণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতায় কোনো ভাবেই অপরাধ বন্ধ হচ্ছে না। এর আগেও ঘুরতে আসা একাধিক নারী মুছারপুর ক্লোজারে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর স্বামী মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৩:৩১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে এক গৃহবধূ (১৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। রোববার (১৮ জুন) ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় মামলা করেন।
মামলার আসমিরা হলেন— উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর নবীর ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৫), একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ (৩০) ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলাউদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার এক গৃহবধূ তার স্বামীর সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর সুইচ গেইট এলাকায় ঘুরতে যান। সুইজ গেইট পার হয়ে পূর্বদিকে বাগানের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় আসামি জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল উদ্দিন ছুরি ও দেশিয় অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ভুক্তভোগী ও তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখান। একপর্যায়ে তিন আসামি ভুক্তভোগীর স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে ওই গৃহবধূকে বাগানে নিয়ে তারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।
মুছাপুরের স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মুছাপুর ক্লোজার এলাকায় স্থানীয় জলদস্যু বাহিনী বালু উত্তোলন, খাস জায়গা দখল, ঘুরতে যাওয়া নারীদের ধর্ষণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতায় কোনো ভাবেই অপরাধ বন্ধ হচ্ছে না। এর আগেও ঘুরতে আসা একাধিক নারী মুছারপুর ক্লোজারে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর স্বামী মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।