ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

চাচি-ভাতিজার বিয়ের অপরাধে গ্রেফতার ৬

বগুড়ার শিবগঞ্জে গ্রাম্য সালিশে দোররা মেরে চাচি-ভাতিজার বিয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে আটমুল ইউনিয়নের একটি গ্রামে অনৈতিক কাজের অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সেখানে দোররা মেরে চাচি-ভাতিজার বিয়ে দেওয়া হয়। পরে সোমবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মসজিদের ইমামও আছেন।

মামলা দায়েরের পরই সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইউপি সদস্য ও ইমামসহ ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জিল্লুর রহমান, পশ্চিম জাহাঙ্গীরাবাদ জামে মসজিদের ইমাম শাহিনুর রহমান, কাজির সহকারী ইলিয়াস আলী ফকির, মালোগাড়ি গ্রামের মোজাফফর মন্ডল, তোজাম মন্ডল এবং মোজাম্মেল হক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তোভোগী ওই নারীর স্বামী প্রবাসে থাকেন। শনিবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে প্রতিবেশী ভাতিজা আব্দুল মমিনকে তিনি সাংসারিক কাজে বাড়িতে ডাকেন। এ সময় গ্রামের লোকজন অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলে তাদের সারারাত আটকে রাখেন। পরদিন রোববার (৯ জুলাই) গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে দুজনকে ঘর থেকে বের করে মারপিট করা হয়।

এই সময় প্রবাসে থাকা স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করার পর মসজিদের ইমাম শাহিনুর দুজনকেই ১০১টি করে দোররা মারার নির্দেশ দেন। এরপর আজাদুল ইসলাম নামে গ্রামের এক বাসিন্দা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে চাচি-ভাতিজাকে দোররা মারেন। পরে দুই লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণ করে প্রতিবেশী ভাতিজা আব্দুল মোমিনের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে দেওয়া হয়।

শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, মামলা দায়েরের পরই অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

চাচি-ভাতিজার বিয়ের অপরাধে গ্রেফতার ৬

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

বগুড়ার শিবগঞ্জে গ্রাম্য সালিশে দোররা মেরে চাচি-ভাতিজার বিয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে আটমুল ইউনিয়নের একটি গ্রামে অনৈতিক কাজের অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সেখানে দোররা মেরে চাচি-ভাতিজার বিয়ে দেওয়া হয়। পরে সোমবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মসজিদের ইমামও আছেন।

মামলা দায়েরের পরই সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইউপি সদস্য ও ইমামসহ ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জিল্লুর রহমান, পশ্চিম জাহাঙ্গীরাবাদ জামে মসজিদের ইমাম শাহিনুর রহমান, কাজির সহকারী ইলিয়াস আলী ফকির, মালোগাড়ি গ্রামের মোজাফফর মন্ডল, তোজাম মন্ডল এবং মোজাম্মেল হক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তোভোগী ওই নারীর স্বামী প্রবাসে থাকেন। শনিবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে প্রতিবেশী ভাতিজা আব্দুল মমিনকে তিনি সাংসারিক কাজে বাড়িতে ডাকেন। এ সময় গ্রামের লোকজন অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলে তাদের সারারাত আটকে রাখেন। পরদিন রোববার (৯ জুলাই) গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে দুজনকে ঘর থেকে বের করে মারপিট করা হয়।

এই সময় প্রবাসে থাকা স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করার পর মসজিদের ইমাম শাহিনুর দুজনকেই ১০১টি করে দোররা মারার নির্দেশ দেন। এরপর আজাদুল ইসলাম নামে গ্রামের এক বাসিন্দা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে চাচি-ভাতিজাকে দোররা মারেন। পরে দুই লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণ করে প্রতিবেশী ভাতিজা আব্দুল মোমিনের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে দেওয়া হয়।

শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, মামলা দায়েরের পরই অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।