ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

স্বামী হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক স্ত্রী গ্রেফতার

নোয়াখালী সদরে স্বামী আবু সোলায়মান মুহুরীকে হত্যার দুই যুগ পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনিকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার রহিমা আক্তার ধনি নোয়াখালী পৌরসভার চন্দ্রপুর নীলকুঠির মৃত আবু সোলায়মান মুহুরীর স্ত্রী। তিনি মামলার ১০ বছর পর ২০০৮ সালে জামিনে বের হয়ে পলাতক ছিলেন।

র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, স্বামী হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ স্বামী অপহরণ হয়েছে বলে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেন স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি। মামলার তদন্তকারী সিআইডি কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান মামলার এক বছর পর ১৯৯৮ সালে ২৮ মে একটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহটি সোলেমান মুহুরীর বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। পরে মামলার বাদী স্ত্রী রহিমা আক্তারসহ ৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ।

চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় রহিমা আক্তারসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার রায়কৃষ্ণপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে হেঞ্জু মিয়া (৫০) ও সুধারাম থানার আনোয়ার উল্লাহর ছেলে গৃহশিক্ষক সামছুদ্দিন (৪০)। আসামিরা ১৯৯৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোলেমান মুহুরীকে সুধারাম মডেল থানার চন্দ্রপুর এলাকার নীলকুঠি নামক বাড়িতে হত্যা করে মরদেহ গুম করে রাখেন বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

স্বামী হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক স্ত্রী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:২৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

নোয়াখালী সদরে স্বামী আবু সোলায়মান মুহুরীকে হত্যার দুই যুগ পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনিকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার রহিমা আক্তার ধনি নোয়াখালী পৌরসভার চন্দ্রপুর নীলকুঠির মৃত আবু সোলায়মান মুহুরীর স্ত্রী। তিনি মামলার ১০ বছর পর ২০০৮ সালে জামিনে বের হয়ে পলাতক ছিলেন।

র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, স্বামী হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ স্বামী অপহরণ হয়েছে বলে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেন স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি। মামলার তদন্তকারী সিআইডি কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান মামলার এক বছর পর ১৯৯৮ সালে ২৮ মে একটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহটি সোলেমান মুহুরীর বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। পরে মামলার বাদী স্ত্রী রহিমা আক্তারসহ ৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ।

চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় রহিমা আক্তারসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার রায়কৃষ্ণপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে হেঞ্জু মিয়া (৫০) ও সুধারাম থানার আনোয়ার উল্লাহর ছেলে গৃহশিক্ষক সামছুদ্দিন (৪০)। আসামিরা ১৯৯৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোলেমান মুহুরীকে সুধারাম মডেল থানার চন্দ্রপুর এলাকার নীলকুঠি নামক বাড়িতে হত্যা করে মরদেহ গুম করে রাখেন বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন।