ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

স্ত্রীকে হত্যায় যাবজ্জীবন, জামিনে বেরিয়ে ২য় হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহ সদরের ফকিরাকান্দা বয়রা এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ফখরুল ইসলাম (৬০)। এরপর জামিনে বের হয়ে ফের হত্যা করেন প্রথম স্ত্রীকে। ওই মামলায় ফখরুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মমতাজ পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্র জানায়, আসামি ফখরুল ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট তার দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ওরফে তানিয়াকে হত্যা করেন। এর দায়ে ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বরে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ২০১২ সালের ২৬ মার্চ বিকেল ৩টায় তার বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা প্রথম স্ত্রী শিরিনাজ বেগমকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ মামলা চলাকালে আসামি নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি করলে আদালতের নির্দেশে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে সুস্থ ঘোষণা করে।

একইসঙ্গে ২০০১ সালের মামলার ঘটনার সময়ও তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে দাবি করলে পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করে আদালত নিশ্চিত হয় যে, ওই সময়েও তিনি স্বাভাবিক ছিলেন বিধায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে ফেরত পাঠায়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামি দ্বিতীয়বার একই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছেন বলে আদালত প্রমাণ পায়। সেই প্রেক্ষিতে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায় নির্ধারিত বিধান অনুসারে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, পাবলিক প্রসিকিউটর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবীর উদ্দিন ভূঁইয়া। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন মোকাম্মেল হক শাকিল।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

স্ত্রীকে হত্যায় যাবজ্জীবন, জামিনে বেরিয়ে ২য় হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩

ময়মনসিংহ সদরের ফকিরাকান্দা বয়রা এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ফখরুল ইসলাম (৬০)। এরপর জামিনে বের হয়ে ফের হত্যা করেন প্রথম স্ত্রীকে। ওই মামলায় ফখরুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মমতাজ পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্র জানায়, আসামি ফখরুল ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট তার দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ওরফে তানিয়াকে হত্যা করেন। এর দায়ে ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বরে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ২০১২ সালের ২৬ মার্চ বিকেল ৩টায় তার বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা প্রথম স্ত্রী শিরিনাজ বেগমকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ মামলা চলাকালে আসামি নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি করলে আদালতের নির্দেশে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে সুস্থ ঘোষণা করে।

একইসঙ্গে ২০০১ সালের মামলার ঘটনার সময়ও তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে দাবি করলে পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করে আদালত নিশ্চিত হয় যে, ওই সময়েও তিনি স্বাভাবিক ছিলেন বিধায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে ফেরত পাঠায়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামি দ্বিতীয়বার একই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছেন বলে আদালত প্রমাণ পায়। সেই প্রেক্ষিতে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায় নির্ধারিত বিধান অনুসারে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, পাবলিক প্রসিকিউটর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবীর উদ্দিন ভূঁইয়া। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন মোকাম্মেল হক শাকিল।