ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

টানা বৃষ্টি: খাগড়াছড়ির বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে প্লাবিত হয়েছে এ জেলার নিম্নাঞ্চল।

খাগড়াছড়িতে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শালবন, কলাবাগান ও সবুজবাগ ছাড়াও মাটিরাঙ্গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া জেলার মানিকছড়িতে পাহাড় ধসে যাওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। তবে সংস্কারে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রক্তিম চৌধুরী।

অন্যদিকে চেঙ্গী নদীর পানির বাড়ায় খাগড়াছড়ি শহরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় তিন হাজার পরিবার। একই সঙ্গে মেরুং বেইলি ব্রিজ এবং দাঙ্গাবাজর মূল সড়ক প্লাবিত হয়ে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

খাগড়াছড়ির শালবন এলাকার বাসিন্দা জুলেখা বেগম বলেন, হঠাৎ পাহাড় ভেঙে মাটি ঘরের ভেতরের ঢুকে গেছে। বৃষ্টি হলেই পাহাড় ভেঙে পানি ঘরে ভেতরে ঢুকে পড়ছে।

অজিফা বেগম নামের আরেকজন বলেন, বুঝতেই পারিনি এভাবে পাহাড় ভেঙে যাবে। হঠাৎ মাটি ভেঙে পড়ছে। এখন বৃষ্টি বাড়লে আরও ভাঙবে।

এদিকে খাগড়াছড়ি সদরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, যারা পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে তাদের সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চাইবে না তাদের বাধ্য করা হবে।

খাগড়াছড়ির পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রেজাউল করিম বলেন, শালবন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের সংখ্যা প্রায় শতাধিক। এর মধ্যে ৩০ পরিবার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

টানা বৃষ্টি: খাগড়াছড়ির বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আপডেট সময় ০১:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে প্লাবিত হয়েছে এ জেলার নিম্নাঞ্চল।

খাগড়াছড়িতে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শালবন, কলাবাগান ও সবুজবাগ ছাড়াও মাটিরাঙ্গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া জেলার মানিকছড়িতে পাহাড় ধসে যাওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। তবে সংস্কারে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রক্তিম চৌধুরী।

অন্যদিকে চেঙ্গী নদীর পানির বাড়ায় খাগড়াছড়ি শহরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় তিন হাজার পরিবার। একই সঙ্গে মেরুং বেইলি ব্রিজ এবং দাঙ্গাবাজর মূল সড়ক প্লাবিত হয়ে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

খাগড়াছড়ির শালবন এলাকার বাসিন্দা জুলেখা বেগম বলেন, হঠাৎ পাহাড় ভেঙে মাটি ঘরের ভেতরের ঢুকে গেছে। বৃষ্টি হলেই পাহাড় ভেঙে পানি ঘরে ভেতরে ঢুকে পড়ছে।

অজিফা বেগম নামের আরেকজন বলেন, বুঝতেই পারিনি এভাবে পাহাড় ভেঙে যাবে। হঠাৎ মাটি ভেঙে পড়ছে। এখন বৃষ্টি বাড়লে আরও ভাঙবে।

এদিকে খাগড়াছড়ি সদরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, যারা পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে তাদের সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চাইবে না তাদের বাধ্য করা হবে।

খাগড়াছড়ির পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রেজাউল করিম বলেন, শালবন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের সংখ্যা প্রায় শতাধিক। এর মধ্যে ৩০ পরিবার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।