ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা

ঝালমুড়ি বেচে কিনেছেন জমি, এখন বাড়ি বানাবেন রাব্বি

ঢাকা: মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় ঠেলাগাড়িতে করে ঝালমুড়ি বিক্রি করে জমান ৮ লাখ টাকা। সেই টাকা সিলেটে নিজ গ্রামের বাড়িতে কিনেছেন পাঁচ শতাংশ ভিটা জমি।

সেই জমিতে এখন বাড়ি করার স্বপ্ন নিয়ে দুপুরের পর থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত পরিশ্রম করে টাকা জমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন রাব্বি (২০) নামের এই যুবক।

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট হসপিটালের গেটে ঠেলাগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে করতে নিউজ প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন রাব্বি।

জানান, এই মুড়ির দোকান শুরু করেন তার নানা, এরপর বাবা এসে দায়িত্ব নেন। গত ৮ বছর ধরে তিনি হাল ধরেছেন ঝালমুড়ি বিক্রির।

রাব্বি বলেন, আমার বাড়ি সিলেট হবিগঞ্জ গ্রাম মুরাপুর। ২০১৬ সালে বাবার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসি। বাবা ঠিকমতো ইনকাম করতে পারতেন না। সংসার চালাতে খুব কষ্ট হতো তাই পড়াশোনা বন্ধ করে ঢাকায় আসতে বাধ্য হয়েছিলাম। এসেই অসুস্থ বাবাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। আর বাবার এই মুড়ির দোকানের হাল ধরি। বিগত সাত বছর ধরে ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছি এই ব্যবসা।

তিনি আরও বলেন, বাড়িতে যে জায়গাটুকু কিনেছি ওই জায়গায় বাবা চাষাবাদ করেন, ছোট ভাইকে ঢাকায় একটা হাফেজি মাদরাসায় ভর্তি করেছি আর বোন গ্রামে পড়াশোনা করে। বাড়িতে সংসারের খরচ ও ভাই বোনের পড়াশোনার খরচ সব কিছু আমাকেই দেখতে হয়।

বাড়িতে ঘর করতে পারলেই ঢাকা ছেড়ে সিলেটে চলে যাবেন বলেন আশা ব্যক্ত করেন রাব্বি।
নিজের ইচ্ছার কথা জানান রাব্বি। বলেন, সিলেটে গিয়ে বাবার সঙ্গে ছোটখাটো একটা হোটেল দেব এবং ভাই ও বোনকে পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করব। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।

রাব্বি জানান, মাত্র ২০০০ টাকার পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেন তিনি। প্রতিদিন ১১ থেকে ১২শ’ টাকা ইনকাম হয় তার। নানার সঙ্গে মহাখালী টিভি গেটে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। সকাল হলেই বেরিয়ে পড়েন মুড়ি, বুট, পেঁয়াজ আর মশলা নিয়ে। নির্দিষ্ট স্থানেই বসান নিজের দোকান।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা

ঝালমুড়ি বেচে কিনেছেন জমি, এখন বাড়ি বানাবেন রাব্বি

আপডেট সময় ১০:৪৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঢাকা: মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় ঠেলাগাড়িতে করে ঝালমুড়ি বিক্রি করে জমান ৮ লাখ টাকা। সেই টাকা সিলেটে নিজ গ্রামের বাড়িতে কিনেছেন পাঁচ শতাংশ ভিটা জমি।

সেই জমিতে এখন বাড়ি করার স্বপ্ন নিয়ে দুপুরের পর থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত পরিশ্রম করে টাকা জমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন রাব্বি (২০) নামের এই যুবক।

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট হসপিটালের গেটে ঠেলাগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে করতে নিউজ প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন রাব্বি।

জানান, এই মুড়ির দোকান শুরু করেন তার নানা, এরপর বাবা এসে দায়িত্ব নেন। গত ৮ বছর ধরে তিনি হাল ধরেছেন ঝালমুড়ি বিক্রির।

রাব্বি বলেন, আমার বাড়ি সিলেট হবিগঞ্জ গ্রাম মুরাপুর। ২০১৬ সালে বাবার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসি। বাবা ঠিকমতো ইনকাম করতে পারতেন না। সংসার চালাতে খুব কষ্ট হতো তাই পড়াশোনা বন্ধ করে ঢাকায় আসতে বাধ্য হয়েছিলাম। এসেই অসুস্থ বাবাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। আর বাবার এই মুড়ির দোকানের হাল ধরি। বিগত সাত বছর ধরে ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছি এই ব্যবসা।

তিনি আরও বলেন, বাড়িতে যে জায়গাটুকু কিনেছি ওই জায়গায় বাবা চাষাবাদ করেন, ছোট ভাইকে ঢাকায় একটা হাফেজি মাদরাসায় ভর্তি করেছি আর বোন গ্রামে পড়াশোনা করে। বাড়িতে সংসারের খরচ ও ভাই বোনের পড়াশোনার খরচ সব কিছু আমাকেই দেখতে হয়।

বাড়িতে ঘর করতে পারলেই ঢাকা ছেড়ে সিলেটে চলে যাবেন বলেন আশা ব্যক্ত করেন রাব্বি।
নিজের ইচ্ছার কথা জানান রাব্বি। বলেন, সিলেটে গিয়ে বাবার সঙ্গে ছোটখাটো একটা হোটেল দেব এবং ভাই ও বোনকে পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করব। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।

রাব্বি জানান, মাত্র ২০০০ টাকার পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেন তিনি। প্রতিদিন ১১ থেকে ১২শ’ টাকা ইনকাম হয় তার। নানার সঙ্গে মহাখালী টিভি গেটে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। সকাল হলেই বেরিয়ে পড়েন মুড়ি, বুট, পেঁয়াজ আর মশলা নিয়ে। নির্দিষ্ট স্থানেই বসান নিজের দোকান।