ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

ধর্মপাশায় বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল এক কিশোর -কিশোরী

  • মহি উদ্দিন আরিফ
  • আপডেট সময় ১১:০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এক কিশোর-কিশোরী বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের তৎপরতায় এই বাল্য বিবাহটি বন্ধ হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা বর (১৭)। আর কনে (১৪) নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে কিশোরী ও তার বাবা ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে কিশোরীর খালার বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে চলে আসে। ওই কিশোরীর খালার বাড়িতে একই গ্রামের প্রতিবেশী কিশোরের সঙ্গে গোপনে বৃহস্পতিবার রাতে ১১টার দিকে বাল্য বিবাহের আয়োজন করা হয়। রাত নয়টার দিকে বাল্য বিবাহের আয়োজনের খবরটি স্থানীয় দুইজন তরুণের কাছ থেকে জানতে পারেন ধর্মপাশার ইউএনও মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মপাশা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অলিদুজ্জামান কে খোঁজ নিয়ে এই বাল্য বিবাহটি বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাৎক্ষণিকভাবে ধর্মপাশার থানার এসআই হাফিজুল ইসলামসহ কয়েকজন থানা পুলিশ নিয়ে ওইদিন রাত ১০টার দিকে কনের খালার বাড়িতে যান। বাল্য বিবাহের আয়োজনের সত্যতা পেয়ে তাঁরা বর ও কনের পক্ষের লোকজনদেরকের বাল্য বিয়ের কুফল ও রাষ্ট্রীয় আইনে এ ধরণের স্বীকৃতি নেই এমনটি বুঝিয়ে বলার পর দুইপক্ষের লোকজন বাল্য বিবাহটি বন্ধ করতে সম্মত হন। এ ছাড়া ছেলের বয়স ২১ বছর ও মেয়ের বয়স ১৮বছর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহের আয়োজন করবেন না বলে বর, বরের বাবা ও কনের বাবা লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, বাল্য বিবাহ রোধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বরকম প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

ধর্মপাশায় বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল এক কিশোর -কিশোরী

আপডেট সময় ১১:০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এক কিশোর-কিশোরী বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের তৎপরতায় এই বাল্য বিবাহটি বন্ধ হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা বর (১৭)। আর কনে (১৪) নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে কিশোরী ও তার বাবা ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে কিশোরীর খালার বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে চলে আসে। ওই কিশোরীর খালার বাড়িতে একই গ্রামের প্রতিবেশী কিশোরের সঙ্গে গোপনে বৃহস্পতিবার রাতে ১১টার দিকে বাল্য বিবাহের আয়োজন করা হয়। রাত নয়টার দিকে বাল্য বিবাহের আয়োজনের খবরটি স্থানীয় দুইজন তরুণের কাছ থেকে জানতে পারেন ধর্মপাশার ইউএনও মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মপাশা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অলিদুজ্জামান কে খোঁজ নিয়ে এই বাল্য বিবাহটি বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাৎক্ষণিকভাবে ধর্মপাশার থানার এসআই হাফিজুল ইসলামসহ কয়েকজন থানা পুলিশ নিয়ে ওইদিন রাত ১০টার দিকে কনের খালার বাড়িতে যান। বাল্য বিবাহের আয়োজনের সত্যতা পেয়ে তাঁরা বর ও কনের পক্ষের লোকজনদেরকের বাল্য বিয়ের কুফল ও রাষ্ট্রীয় আইনে এ ধরণের স্বীকৃতি নেই এমনটি বুঝিয়ে বলার পর দুইপক্ষের লোকজন বাল্য বিবাহটি বন্ধ করতে সম্মত হন। এ ছাড়া ছেলের বয়স ২১ বছর ও মেয়ের বয়স ১৮বছর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহের আয়োজন করবেন না বলে বর, বরের বাবা ও কনের বাবা লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, বাল্য বিবাহ রোধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বরকম প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।