ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা

শিক্ষকের চড়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে শিক্ষকের চড়ে স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে চার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকদের জেল হাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিহত স্কুলছাত্রের বাবা দিনু চন্দ্র বাদী হয়ে পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত চার শিক্ষক হলেন- নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোনায়েম পাঁড়, সহকারী প্রধান শিক্ষক মুহিদ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অবকাশ খাঁ ও সহকারী শিক্ষক শীতার্থ। পলাতক রয়েছেন আরেক শিক্ষক মনিরুল ইসলাম।
কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান বলেন, আটক শিক্ষকদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ওই শিক্ষার্থীকে তিনি কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মেরেছিলেন। তবে তিনি লাঠিপেটা করেননি। চার শিক্ষককেই জেল হাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, রবিবার দুপুরে কালিগঞ্জের নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চড়-থাপ্পড়ে প্রতাপ চন্দ্র দাশ নামে নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিহত হয়।
নিহতের বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা মৃত ছাত্রের মরদেহ স্কুল প্রাঙ্গনে নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় স্কুলের অফিস কক্ষসহ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানায় নিহতের সহপাঠীরা। এ সময় শিক্ষকদের একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাতটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা।
রবিবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানায়, সহপাঠীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্কুলের ছাদে কেক কাটে প্রতাপ চন্দ্র দাশসহ তার কয়েকজন বন্ধু। কেক কাটার পর শিক্ষার্থীরা টিকটক ভিডিও তৈরি করছিল। বিষয়টি নজরে পড়ে সহকারী শিক্ষক অবকাশ খাঁর। তিনি সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চড়-থাপ্পড় ও কিল ঘুষি মারেন। এর পরপর বাড়ি চলে যায় প্রতাপসহ তার বন্ধুরা। বাড়িতে যাওয়ার পর বমি শুরু হয় প্রতাপের। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আলোচনা সভা

শিক্ষকের চড়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে শিক্ষকের চড়ে স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে চার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকদের জেল হাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিহত স্কুলছাত্রের বাবা দিনু চন্দ্র বাদী হয়ে পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত চার শিক্ষক হলেন- নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোনায়েম পাঁড়, সহকারী প্রধান শিক্ষক মুহিদ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অবকাশ খাঁ ও সহকারী শিক্ষক শীতার্থ। পলাতক রয়েছেন আরেক শিক্ষক মনিরুল ইসলাম।
কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান বলেন, আটক শিক্ষকদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ওই শিক্ষার্থীকে তিনি কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মেরেছিলেন। তবে তিনি লাঠিপেটা করেননি। চার শিক্ষককেই জেল হাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, রবিবার দুপুরে কালিগঞ্জের নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চড়-থাপ্পড়ে প্রতাপ চন্দ্র দাশ নামে নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিহত হয়।
নিহতের বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা মৃত ছাত্রের মরদেহ স্কুল প্রাঙ্গনে নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় স্কুলের অফিস কক্ষসহ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানায় নিহতের সহপাঠীরা। এ সময় শিক্ষকদের একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাতটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা।
রবিবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানায়, সহপাঠীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্কুলের ছাদে কেক কাটে প্রতাপ চন্দ্র দাশসহ তার কয়েকজন বন্ধু। কেক কাটার পর শিক্ষার্থীরা টিকটক ভিডিও তৈরি করছিল। বিষয়টি নজরে পড়ে সহকারী শিক্ষক অবকাশ খাঁর। তিনি সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চড়-থাপ্পড় ও কিল ঘুষি মারেন। এর পরপর বাড়ি চলে যায় প্রতাপসহ তার বন্ধুরা। বাড়িতে যাওয়ার পর বমি শুরু হয় প্রতাপের। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।