ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo শান্তিগঞ্জে ব্যতিক্রমধর্মী গণসংযোগে মাওলানা হাম্মাদ আহমদ গাজীনগরী Logo সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে ছাত্র জমিয়তের সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২৫ Logo শান্তিগঞ্জে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে পোনামাছ অবমুক্ত Logo শান্তিগঞ্জে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo বিয়ের কনে দেখতে গিয়ে নৌকা ডুবে ২জনের মৃত্যু Logo শান্তিগঞ্জে জামায়াতের প্রতিনিধি সম্মেলন ও দাঁড়িপাল্লার প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত Logo সুনামগঞ্জ ৩ আসনের সর্বস্তরের জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হাম্মাদ গাজিনগরী Logo দিরাই সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কমিটি গঠন সভাপতি: বিশ্বজিৎ চৌধুরী সম্পাদক: শাহজাহান সিরাজ Logo ফুলেল শুভেচ্ছায় জমিয়ত প্রার্থী হাম্মাদ আহমদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন Logo স্বীকৃত শিক্ষকতায় রাহমান তৈয়বের পথ চলা

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশকালে বাংলাদেশিসহ আটক ৩৬

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে ২০ বাংলাদেশিসহ ৩৬ জনকে আটক করেছে দেশটির পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশন। স্থানীয় সময় রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট (জেআইএম) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ জন বাংলাদেশি এবং ১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ১৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

জেআইএম থেকে বলা হয়, গত ৩০ আগস্ট জনসাধারণের তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। এতে দেশটির কোটা বাহরু এক্সপ্রেস বাস স্টেশন থেকে কুয়ালালামপুরগামী একটি বাসে উঠা ৩২ পুরুষ ও চার নারীসহ মোট ৩৬ জন বিদেশিকে কুয়ালালামপুরের বাস টার্মিনাল থেকে আটক করা হয়।

এ অভিযানে অপারেশন টিম ইস্ট কোস্ট হাইওয়েতে এসব বিদেশি নাগরিককে বহনকারী তিনটি পৃথক এক্সপ্রেস বাসকে ট্র্যাক করতে সক্ষম হয় এবং কুয়ালালামপুরের বাস টার্মিনাল টিবিএস পর্যন্ত বাসগুলোকে অনুসরণ করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের পাসপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাদের কারো পাসপোর্টে কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন বিভাগের স্ট্যাম্প ছিল না। এমনকি দেশটিতে ঢোকার কোন ট্রাভেল ডকুমেন্ট ছিল না। এদের কয়েকজনের পাসপোর্টের অতীত রেকর্ডে দেখা গেছে, তারা মালয়েশিয়ায় কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।

জেআইএম মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ জানিয়েছেন, মানবপাচার চক্রের সদস্যরা অবৈধ পথে চোরাচালানের আগে প্রতিবেশী দেশগুলো দিয়ে তাদের নিজ দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের নিয়ে আসে। এরপর অভিবাসন বিভাগের চোখকে ফাঁকি দিয়ে গণপরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্ন রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়ে তাদের অবৈধভাবে কাজ দেয়া হয়।

মানবপাচার চক্রের সদস্যরা বিদেশিদের কাছে থেকে মালয়েশিয়ায় ঢোকার জন্য ১০ হাজার রিঙ্গিত করে নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩-এর অধীনে অপরাধের সন্দেহে বিদেশিদের আটক করে তদন্তের জন্য সেলাঙ্গর রাজ্যের সেমেনাইহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিগঞ্জে ব্যতিক্রমধর্মী গণসংযোগে মাওলানা হাম্মাদ আহমদ গাজীনগরী

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশকালে বাংলাদেশিসহ আটক ৩৬

আপডেট সময় ০৬:২৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে ২০ বাংলাদেশিসহ ৩৬ জনকে আটক করেছে দেশটির পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশন। স্থানীয় সময় রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট (জেআইএম) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ জন বাংলাদেশি এবং ১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ১৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

জেআইএম থেকে বলা হয়, গত ৩০ আগস্ট জনসাধারণের তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। এতে দেশটির কোটা বাহরু এক্সপ্রেস বাস স্টেশন থেকে কুয়ালালামপুরগামী একটি বাসে উঠা ৩২ পুরুষ ও চার নারীসহ মোট ৩৬ জন বিদেশিকে কুয়ালালামপুরের বাস টার্মিনাল থেকে আটক করা হয়।

এ অভিযানে অপারেশন টিম ইস্ট কোস্ট হাইওয়েতে এসব বিদেশি নাগরিককে বহনকারী তিনটি পৃথক এক্সপ্রেস বাসকে ট্র্যাক করতে সক্ষম হয় এবং কুয়ালালামপুরের বাস টার্মিনাল টিবিএস পর্যন্ত বাসগুলোকে অনুসরণ করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের পাসপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাদের কারো পাসপোর্টে কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন বিভাগের স্ট্যাম্প ছিল না। এমনকি দেশটিতে ঢোকার কোন ট্রাভেল ডকুমেন্ট ছিল না। এদের কয়েকজনের পাসপোর্টের অতীত রেকর্ডে দেখা গেছে, তারা মালয়েশিয়ায় কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।

জেআইএম মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ জানিয়েছেন, মানবপাচার চক্রের সদস্যরা অবৈধ পথে চোরাচালানের আগে প্রতিবেশী দেশগুলো দিয়ে তাদের নিজ দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের নিয়ে আসে। এরপর অভিবাসন বিভাগের চোখকে ফাঁকি দিয়ে গণপরিবহন ব্যবহার করে বিভিন্ন রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়ে তাদের অবৈধভাবে কাজ দেয়া হয়।

মানবপাচার চক্রের সদস্যরা বিদেশিদের কাছে থেকে মালয়েশিয়ায় ঢোকার জন্য ১০ হাজার রিঙ্গিত করে নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩-এর অধীনে অপরাধের সন্দেহে বিদেশিদের আটক করে তদন্তের জন্য সেলাঙ্গর রাজ্যের সেমেনাইহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।