ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক Logo শান্তিগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ১০ম নোয়াখালী প্রিমিয়ার লীগের শুভ উদ্বোধন Logo ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিগঞ্জের তৈয়বুর রহমান Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন Logo শান্তিগঞ্জে সম্প্রসারিত বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব Logo শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন Logo মহা অষ্টমীতে শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে ২৬২.৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত Logo শান্তিগঞ্জে ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত ভূমির সীমানা নির্ধারণ

মধ্যনগরে প্রয়োজন দ্রুত নদী খনন

  • মান্নার মিয়া
  • আপডেট সময় ০৩:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • ৬৬০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

অমৃত জ্যোতি,হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সংলগ্ন সুমেশ্বরী নদীতে বর্ষায় ভরা যৌবন থাকলেও প্রতি শীত থেকে গ্রীষ্ম পর্যন্ত দেখাদেয় নাব্যতা সংকট।ব্যাহত হয় নৌযান চলাচল প্রয়োজনীয় পণ্য স্থানান্তর,এতে করে ব্যাপক ভুগান্তি পোহান নৌযান শ্রমিকেরা।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জেগেছে মাঠের মতে বিশাল চর সহ জন্ম নেয় গোবাদি পশুর ঘাস।স্বাধীনতার পর থেকেই এই অঞ্চলে হয়নি নদী খনন।তাই জনসাধারনের একদাবী মধ্যনগরে প্রয়োজন দ্রুত নদী খনন।
এমন চিত্রযেন-
“আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে”
কবির ভাষাকেও হাড় মানিয়ে মনায় মধ্যনগরের সুমেশ্বরীর নাব্যতা।বৈশাখে হাটু জল থাকার কথা কিন্তু মাঘের শুরুতেই ভেসে উঠে এমন চিত্র।শুকনোর মৌসুমে থাকেনা আগুন নিভানোর পানিও।এযেন কারো দেয়া কোন এক অভিশাপ!
বর্ষায় বছরেই পাহাড়ি ঢলে নদী ভরাট হয়ে রুপনেয় খালের।চলমান এসময়ের-চিত্রে চরপড়া বালুময় নদীতে নাব্যতার সংকটে পন্যবাহী নৌযানের ঝটলা বাঁধে থাকবে প্রায় ৫কিলোমিটার।মধ্যনগর বাজার সংলগ্ন হুলাকান্দা বাজার ভায়া পাকা ব্রীজ,মধ্যনগর আখড়া ঘাট হয়ে জমশেরপুর টানা ঘাট পর্যন্ত রয়েছে থাকে নাব্যতা সংকট।
একমাত্র সমাধান-“নদীখনন”।ভাটি এলাকার কৃষকের বোরোধান আগামবন্যার কবল ও নৌযান চলাচলের মাধ্যমে শ্রমিক বাঁচাতে প্রয়োজন “নদী খনন”এর কোন বিকল্প নেই,তীরবর্তী জনসাধারণের দাবী।
এবিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন’ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জের ১৪টি নদী খননের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।অনুমোদন আসলে আশা করছি পাহাড় থেকে নেমে আসা সুমেশ্বরী সহ চড়পড়া সকল নদীই খনন করা হবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক

মধ্যনগরে প্রয়োজন দ্রুত নদী খনন

আপডেট সময় ০৩:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:(সুনামগঞ্জ)

অমৃত জ্যোতি,হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সংলগ্ন সুমেশ্বরী নদীতে বর্ষায় ভরা যৌবন থাকলেও প্রতি শীত থেকে গ্রীষ্ম পর্যন্ত দেখাদেয় নাব্যতা সংকট।ব্যাহত হয় নৌযান চলাচল প্রয়োজনীয় পণ্য স্থানান্তর,এতে করে ব্যাপক ভুগান্তি পোহান নৌযান শ্রমিকেরা।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জেগেছে মাঠের মতে বিশাল চর সহ জন্ম নেয় গোবাদি পশুর ঘাস।স্বাধীনতার পর থেকেই এই অঞ্চলে হয়নি নদী খনন।তাই জনসাধারনের একদাবী মধ্যনগরে প্রয়োজন দ্রুত নদী খনন।
এমন চিত্রযেন-
“আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে”
কবির ভাষাকেও হাড় মানিয়ে মনায় মধ্যনগরের সুমেশ্বরীর নাব্যতা।বৈশাখে হাটু জল থাকার কথা কিন্তু মাঘের শুরুতেই ভেসে উঠে এমন চিত্র।শুকনোর মৌসুমে থাকেনা আগুন নিভানোর পানিও।এযেন কারো দেয়া কোন এক অভিশাপ!
বর্ষায় বছরেই পাহাড়ি ঢলে নদী ভরাট হয়ে রুপনেয় খালের।চলমান এসময়ের-চিত্রে চরপড়া বালুময় নদীতে নাব্যতার সংকটে পন্যবাহী নৌযানের ঝটলা বাঁধে থাকবে প্রায় ৫কিলোমিটার।মধ্যনগর বাজার সংলগ্ন হুলাকান্দা বাজার ভায়া পাকা ব্রীজ,মধ্যনগর আখড়া ঘাট হয়ে জমশেরপুর টানা ঘাট পর্যন্ত রয়েছে থাকে নাব্যতা সংকট।
একমাত্র সমাধান-“নদীখনন”।ভাটি এলাকার কৃষকের বোরোধান আগামবন্যার কবল ও নৌযান চলাচলের মাধ্যমে শ্রমিক বাঁচাতে প্রয়োজন “নদী খনন”এর কোন বিকল্প নেই,তীরবর্তী জনসাধারণের দাবী।
এবিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন’ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জের ১৪টি নদী খননের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।অনুমোদন আসলে আশা করছি পাহাড় থেকে নেমে আসা সুমেশ্বরী সহ চড়পড়া সকল নদীই খনন করা হবে।