ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo প্রবাসী সিটির ‘ইনভেস্টর ফেয়ার ২০২৬’: প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট আবাসন নিশ্চিতের অঙ্গীকার Logo ৯৮০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের কুরবানির মাংস বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo শান্তিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সানজিদা আলমের সফলতার রহস্য হল পরিশ্রম

ইচ্ছা থাকলেই দারুণ কিছু করা যায় এ ধারণা এক সময় আমাদের দেশের মানুষের চিন্তার বাইরে ছিল। দেশের অনলাইন জগতে দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে কিছু নাম। তার মধ্যে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করে সফল সানজিদা আলম শারমিন।

ফেসবুকের পাশাপশি সানজিদার ইউটিউব চ্যানেলও আছে। তার চ্যানেলের জনপ্রিয়তার ফলে তিনি ইউটিউব সিলভার প্লে বাটন পেয়েছেন। যেখানে বর্তমানে ২ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি সাবস্ক্রিপশন আছে।

সফল এ মানুষটি বললেন, ‘বিগত ৫ বছরে ৫ শতাধিক দেশি-বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে ব্র্যান্ড প্রোমটার এবং ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করেছি। সবকিছু মেইনটেইন করে মডেলিং প্রোফেশন, ইউটিউবিং এবং একজন সফল ইনফ্লুয়েন্সার হওয়াটা খুব একটা সহজ ছিল না। অনেক জায়গায় রিজেক্টেড হয়েছি। অনেক বড় বড় অফার রিজেক্টও করেছি। আজ আমার সঙ্গে সারাদেশের প্রচুর ভাই-বোন এক হয়ে আমাকে এগিয়ে নিচ্ছেন।’

কোনো বাধা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বরাবরই সবকিছুতে অনেক বাধা আর সুযোগ কম ছিল। কিন্তু ডেডিকেশন আর কঠোর পরিশ্রম ছিল অনেক। বর্তমানে পড়াশোনা করছি কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। একজন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পাশাপাশি একজন সফল ইনফ্লুয়েন্সার হতে চাই।’

পরিবারের সমর্থন সম্পর্কে সানজিদা আলম শারমিন বলেন, ‘শুরুতে পরিবারের তেমন অনুপ্রেরণা না পেলেও এখন সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পাই। একদিকে পড়াশোনা, অন্যদিকে ফুল অন প্রফেশনাল কাজে মনোযোগ দিতে গিয়ে এমনও দিন যায় যে, ২৪ ঘণ্টার ১৮ ঘণ্টাই কাজ করি। রাতের পর রাত আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিরলস পরিশ্রমের ফসল আজ আমি নিজেই।’

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, যদি ইচ্ছে থাকে তাহলে কোনো বাধাই বাধা নয়! আমার ইচ্ছা আছে আকাশ ছোঁয়ার।’

২০১৪ সালে যখন তার যাত্রা শুরু হয়, বেশকিছু অর্গানাইজেশন থেকে তাকে ফিরে আসতে হয়েছিল সামান্য কারণে। কিন্তু তিনি আশা ছাড়েননি, চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। আরও দৃঢ়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে গেছেন স্বপ্ন পূরণের জন্য। তার প্রথম ধাপ হিসেবে তিনি ফ্যাশন ব্লগার হিসেবে যাত্রা শুরু করেন একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।

সানজিদা ব্লগার হিসেবে কাজ শুরু করেন ‘হিজাব টিউটরিয়াল’ তৈরির মাধ্যমে। পরে ধীরে ধীরে তার ব্লগে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাশনেবল আবায়া বোরকা এবং জুয়েলারি নিয়ে কাজ শুরু করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি একজন ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন প্রচুর ক্রেতা আকৃষ্ট করার মাধ্যমে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

প্রবাসী সিটির ‘ইনভেস্টর ফেয়ার ২০২৬’: প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট আবাসন নিশ্চিতের অঙ্গীকার

সানজিদা আলমের সফলতার রহস্য হল পরিশ্রম

আপডেট সময় ০৩:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

ইচ্ছা থাকলেই দারুণ কিছু করা যায় এ ধারণা এক সময় আমাদের দেশের মানুষের চিন্তার বাইরে ছিল। দেশের অনলাইন জগতে দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে কিছু নাম। তার মধ্যে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করে সফল সানজিদা আলম শারমিন।

ফেসবুকের পাশাপশি সানজিদার ইউটিউব চ্যানেলও আছে। তার চ্যানেলের জনপ্রিয়তার ফলে তিনি ইউটিউব সিলভার প্লে বাটন পেয়েছেন। যেখানে বর্তমানে ২ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি সাবস্ক্রিপশন আছে।

সফল এ মানুষটি বললেন, ‘বিগত ৫ বছরে ৫ শতাধিক দেশি-বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে ব্র্যান্ড প্রোমটার এবং ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করেছি। সবকিছু মেইনটেইন করে মডেলিং প্রোফেশন, ইউটিউবিং এবং একজন সফল ইনফ্লুয়েন্সার হওয়াটা খুব একটা সহজ ছিল না। অনেক জায়গায় রিজেক্টেড হয়েছি। অনেক বড় বড় অফার রিজেক্টও করেছি। আজ আমার সঙ্গে সারাদেশের প্রচুর ভাই-বোন এক হয়ে আমাকে এগিয়ে নিচ্ছেন।’

কোনো বাধা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বরাবরই সবকিছুতে অনেক বাধা আর সুযোগ কম ছিল। কিন্তু ডেডিকেশন আর কঠোর পরিশ্রম ছিল অনেক। বর্তমানে পড়াশোনা করছি কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। একজন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পাশাপাশি একজন সফল ইনফ্লুয়েন্সার হতে চাই।’

পরিবারের সমর্থন সম্পর্কে সানজিদা আলম শারমিন বলেন, ‘শুরুতে পরিবারের তেমন অনুপ্রেরণা না পেলেও এখন সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পাই। একদিকে পড়াশোনা, অন্যদিকে ফুল অন প্রফেশনাল কাজে মনোযোগ দিতে গিয়ে এমনও দিন যায় যে, ২৪ ঘণ্টার ১৮ ঘণ্টাই কাজ করি। রাতের পর রাত আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিরলস পরিশ্রমের ফসল আজ আমি নিজেই।’

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, যদি ইচ্ছে থাকে তাহলে কোনো বাধাই বাধা নয়! আমার ইচ্ছা আছে আকাশ ছোঁয়ার।’

২০১৪ সালে যখন তার যাত্রা শুরু হয়, বেশকিছু অর্গানাইজেশন থেকে তাকে ফিরে আসতে হয়েছিল সামান্য কারণে। কিন্তু তিনি আশা ছাড়েননি, চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। আরও দৃঢ়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে গেছেন স্বপ্ন পূরণের জন্য। তার প্রথম ধাপ হিসেবে তিনি ফ্যাশন ব্লগার হিসেবে যাত্রা শুরু করেন একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।

সানজিদা ব্লগার হিসেবে কাজ শুরু করেন ‘হিজাব টিউটরিয়াল’ তৈরির মাধ্যমে। পরে ধীরে ধীরে তার ব্লগে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাশনেবল আবায়া বোরকা এবং জুয়েলারি নিয়ে কাজ শুরু করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি একজন ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন প্রচুর ক্রেতা আকৃষ্ট করার মাধ্যমে।