ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Logo গণহত্যা দিবসে শান্তিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ তালেব ও কৃপেন্দ্র দাশের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ Logo সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি Logo শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত Logo ঈদুল ফিতরে দিরাইয়ের আনোয়ারপুরে পারিবারিক মিলনমেলা,আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জের শিমুলবাঁকে গুণীজন ও প্রবাসী সংবর্ধনা সম্পন্ন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন: ১০ দিন পর মামলা

কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। ১১ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা যুবক মো. সেলিম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বাদী ওই ক্যাম্পের একটি ব্লকের সহকারী মাঝির দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিকালে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।তিনি জানান, ২০/২৫ জনের দুর্বৃত্তের দল একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ১১ নম্বর ক্যাম্পের কয়েকটি জায়গায় একই সময়ে নাশকতার উদ্দেশে আগুন লাগায় বলে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন। সোমবার রাতে লিখিত এজাহার জমা দেন। এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে আজ বিকালে থানার এসআই খায়ের উদ্দিনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।উখিয়ার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত ৫ মার্চের অগ্নিকাণ্ড পরিকল্পিত নাশকতা বলে প্রমাণ পেয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করতে আগুন দিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পক্ষে গঠিত সাত সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। রবিবার বিকালে এই প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। প্রতিবেদনে আগুনের ঘটনায় নেপথ্য উদঘাটনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোসহ ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে।তদন্ত কমিটির প্রধান জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ড পরিকল্পিত কিন্তু কারা ঘটিয়েছে সেটা জানা যায়নি। মামলা দায়ের করে গভীর তদন্তে কারা আগুন লাগিয়েছে তা বেরিয়ে আসবে।উল্লেখ্য, গত ৫ মার্চ দুপুরে উখিয়ার বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ঘরসহ দুই হাজার ৮০৫টি নানা স্থাপনা পুড়ে যায়। এই ঘটনায় ১৫ হাজার ৯২৫ জন রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এর আগে, ২০২১ সালের ২২ মার্চ একই ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ১১ জনের মৃত্যু, পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। পুড়ে যায় ১০ হাজারের বেশি ঘর।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন: ১০ দিন পর মামলা

আপডেট সময় ০৬:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মার্চ ২০২৩

কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। ১১ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা যুবক মো. সেলিম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বাদী ওই ক্যাম্পের একটি ব্লকের সহকারী মাঝির দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিকালে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।তিনি জানান, ২০/২৫ জনের দুর্বৃত্তের দল একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ১১ নম্বর ক্যাম্পের কয়েকটি জায়গায় একই সময়ে নাশকতার উদ্দেশে আগুন লাগায় বলে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন। সোমবার রাতে লিখিত এজাহার জমা দেন। এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে আজ বিকালে থানার এসআই খায়ের উদ্দিনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।উখিয়ার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত ৫ মার্চের অগ্নিকাণ্ড পরিকল্পিত নাশকতা বলে প্রমাণ পেয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করতে আগুন দিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পক্ষে গঠিত সাত সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। রবিবার বিকালে এই প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। প্রতিবেদনে আগুনের ঘটনায় নেপথ্য উদঘাটনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোসহ ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে।তদন্ত কমিটির প্রধান জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ড পরিকল্পিত কিন্তু কারা ঘটিয়েছে সেটা জানা যায়নি। মামলা দায়ের করে গভীর তদন্তে কারা আগুন লাগিয়েছে তা বেরিয়ে আসবে।উল্লেখ্য, গত ৫ মার্চ দুপুরে উখিয়ার বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ঘরসহ দুই হাজার ৮০৫টি নানা স্থাপনা পুড়ে যায়। এই ঘটনায় ১৫ হাজার ৯২৫ জন রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এর আগে, ২০২১ সালের ২২ মার্চ একই ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ১১ জনের মৃত্যু, পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। পুড়ে যায় ১০ হাজারের বেশি ঘর।