ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জের ৭নং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান Logo জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ আব্দুস সালাম, মেম্বার পদে সম্ভাবনার আলো Logo এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Logo গণহত্যা দিবসে শান্তিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ তালেব ও কৃপেন্দ্র দাশের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ Logo সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি Logo শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বার্ষিক উৎসব পালিত Logo ঈদুল ফিতরে দিরাইয়ের আনোয়ারপুরে পারিবারিক মিলনমেলা,আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন Logo শান্তিগঞ্জের শিমুলবাঁকে গুণীজন ও প্রবাসী সংবর্ধনা সম্পন্ন

আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েই চলছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে

আত্মহত্যার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। গত সাত মাসে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন পাঁচজন। এর কারণ হিসেবে সমাজে অস্থিরতা ও পারিবারিক কলহকে দায়ী করেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভৈরবে এসব ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। তবে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক কলহের জের ধরেই তারা আত্মহত্যা করেছেন।

গত ৭ জুলাই ভোরে সোনিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার আগে ১৫ জুন ভৈরবের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা এমাদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়া স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বিষপানে আত্মহত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় হাসপাতালে স্বামীর মরদেহ রেখে স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যান।

১২ জুন ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরে বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন নাজা বেগম নামের এক কলেজছাত্রী। ১৭ জুন হোটেলশ্রমিক রিনা বেগমকে তার প্রেমিক শাকিল গলা টিপে হত্যা করেন। এ ঘটনায় শাকিলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ১৫ মে ভৈরবের শম্ভুপুর এলাকার গৃহবধূ জোনাকী বেগম তার শিশু সন্তানসহ নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন। তার স্বামী ফরহাদ ইতালী প্রবাসী। অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ির অত্যাচার-নির্যাতন সইতে না পেরে প্রথমে সন্তান আলিফকে (৪) রশিতে ঝুলিয়ে হত্যা এবং পরে তিনি আত্মহত্যা করেন।

এ বিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নিজাম উদ্দিন বলেন, যখন সমাজে অস্থিরতা ও পারিবারিক কলহ বেড়ে যায় তখন মানুষ আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, আত্মহত্যা একটি ভয়াবহ রোগ। আত্মহত্যার আগে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। যখনই সংসারে অশান্তি, ঝামেলা, কলহ বাড়ে তখন অনেকে সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, অধিকাংশ মামলা তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যা করেছে। এসব ঘটনাগুলো খুবই স্পর্শকাতর।

আত্মহত্যার সঙ্গে সামাজিক অস্থিরতা, মাদক, অভাব, প্রেম সংক্রান্ত বিষয় জড়িত বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন

দিরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সেশন অনুষ্ঠিত

আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েই চলছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে

আপডেট সময় ০১:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

আত্মহত্যার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। গত সাত মাসে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন পাঁচজন। এর কারণ হিসেবে সমাজে অস্থিরতা ও পারিবারিক কলহকে দায়ী করেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভৈরবে এসব ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। তবে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক কলহের জের ধরেই তারা আত্মহত্যা করেছেন।

গত ৭ জুলাই ভোরে সোনিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার আগে ১৫ জুন ভৈরবের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা এমাদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়া স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বিষপানে আত্মহত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় হাসপাতালে স্বামীর মরদেহ রেখে স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যান।

১২ জুন ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরে বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন নাজা বেগম নামের এক কলেজছাত্রী। ১৭ জুন হোটেলশ্রমিক রিনা বেগমকে তার প্রেমিক শাকিল গলা টিপে হত্যা করেন। এ ঘটনায় শাকিলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ১৫ মে ভৈরবের শম্ভুপুর এলাকার গৃহবধূ জোনাকী বেগম তার শিশু সন্তানসহ নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন। তার স্বামী ফরহাদ ইতালী প্রবাসী। অভিযোগ রয়েছে, শাশুড়ির অত্যাচার-নির্যাতন সইতে না পেরে প্রথমে সন্তান আলিফকে (৪) রশিতে ঝুলিয়ে হত্যা এবং পরে তিনি আত্মহত্যা করেন।

এ বিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নিজাম উদ্দিন বলেন, যখন সমাজে অস্থিরতা ও পারিবারিক কলহ বেড়ে যায় তখন মানুষ আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, আত্মহত্যা একটি ভয়াবহ রোগ। আত্মহত্যার আগে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। যখনই সংসারে অশান্তি, ঝামেলা, কলহ বাড়ে তখন অনেকে সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, অধিকাংশ মামলা তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যা করেছে। এসব ঘটনাগুলো খুবই স্পর্শকাতর।

আত্মহত্যার সঙ্গে সামাজিক অস্থিরতা, মাদক, অভাব, প্রেম সংক্রান্ত বিষয় জড়িত বলেও জানান তিনি।