ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক Logo শান্তিগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ১০ম নোয়াখালী প্রিমিয়ার লীগের শুভ উদ্বোধন Logo ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিগঞ্জের তৈয়বুর রহমান Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন Logo শান্তিগঞ্জে সম্প্রসারিত বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত Logo শান্তিগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব Logo শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন Logo মহা অষ্টমীতে শান্তিগঞ্জে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জে ২৬২.৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত Logo শান্তিগঞ্জে ৩২ বছর পর বন্দোবস্তকৃত ভূমির সীমানা নির্ধারণ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কেমুসাস বইমেলার শেষ দিনের গল্প

পারভেজ হুসেন তালুকদার: পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি ও প্রকাশিত বইয়ের সুবাদে অনেকেই আমাকে একজন লেখক হিসেবে চিনেন কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমি একজন ভালো পাঠকও। প্রত‍্যেক পাঠকেরাই কম বেশি বইমেলা ভালোবাসেন, আমিও তাঁর ব‍্যতিক্তম নই। আজ মঙ্গলবার ২০ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ ছিলো উপমহাদেশের অন‍্যতম প্রাচীন সাহিত্য সংসদ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ ( কেমুসাস ) আয়োজিত সিলেটের অন‍্যতম প্রধান ষোড়শ কেমুসাস বইমেলা ২০২২ এর ১০ দিনের সমাপনী দিন। তাই সকালেই স্থির করেছিলাম আজকে সন্ধ্যায় মেলায় লেখক-পাঠকদের সাথে মেলবন্ধনে যাব। মেলা শুরু হয় বিকেল ৩ টায় শেষ রাত ৯ টায়। সন্ধ্যা হতেই তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে গেছিলাম, এর আগেও অনেকবার কেমুসাস যাওয়া হয়েছে। তাছাড়াও লেখাপড়ার সুবাদে সিলেটে বসবাসের ৩ মাস অতিক্রম করতেছি, তাই কমবেশি পথঘাট চেনা। আখালিয়া থেকে আম্বরখানা পয়েন্ট তারপর সেখান থেকে ১০ টাকা রিকশা ভাড়ায় দরগা গেইট সংলগ্ন কেমুসাস প্রাঙ্গণে মেলা। মেলা পৌঁছনোর আগে পর্যন্ত নিঃসঙ্গই ছিলাম, পৌঁছেই গেটে পেয়ে গেলাম বিখ্যাত এমসি কলেজের কবিতা পরিষদ প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ত্রৈমাসিক জাগরণী’র সম্পাদক তরুণ কবি মইনুল হাসান আবির ভাইকে। একসঙ্গে মেলার ভেতরে যেতে শুরু করলাম। আজকে মেলার শেষ দিন, মুটামুটি ভীড়। প্রত‍্যেক স্টলের সামনেই বই হাতে নেড়েচেড়ে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখছিলেন পাঠকেরা। তাছাড়াও আজকে লেখকদের আগমন কম ছিলো না। মেলার ভেতরে যেতে যেতেই দেখা পেলাম তরুণ ছড়াকার নাঈমুল ইসলাম গুলজার ও কেমুসাস তরুণ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কবি আবদুল কাদির জীবন ভাইকে। বইমেলার শেষ দিন সবাই একসাথে হাঁটতে হাঁটতে মেলায় আসা পাঠকদের সঙ্গে ফ্রেম বন্দিও কম হলো না। এবারের কেমুসাস বইমেলায় অনেক স্টল এসেছে। সরলতার স্টলে পেয়ে গেলাম আমার লেখা ছড়ার বই ছড়ার ঝলক যদিও বইটি প্রকাশ করেছে কবিনগর বার্তা। স্টলেই ছিলেন সিলেটের বিশিষ্ট ছড়াকার শাহাদাত বখ্ত শাহেদ ও ছাদির হুসাইন। তারাও আমাকে দেখে খুশি হলেন। আমি আর আবির ভাই মেলায় অনেক ঘুরাঘুরি করলাম বই কিনলাম। মেলায় দেখা হল সিলেটের আরেক জনপ্রিয় ছড়াকার ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান আংকেলের সাথে। আমরা একসঙ্গে মেলায় অনেকক্ষণ সময় কাটালাম। সব শেষে আমি আর আবির ভাই সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম। এই দশ দিনে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু আজকে আমার অন‍্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে, আজকে একসঙ্গে সকল লেখকদেরও দেখা পেয়ে ভালো লেগেছে। রিকশা করে ফিরবার সময় মনে মনে বলছিলাম আগামী বছর আবার দেখা হবে কেমুসাস বইমেলা।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদের উঠান বৈঠক

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কেমুসাস বইমেলার শেষ দিনের গল্প

আপডেট সময় ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩
পারভেজ হুসেন তালুকদার: পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি ও প্রকাশিত বইয়ের সুবাদে অনেকেই আমাকে একজন লেখক হিসেবে চিনেন কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমি একজন ভালো পাঠকও। প্রত‍্যেক পাঠকেরাই কম বেশি বইমেলা ভালোবাসেন, আমিও তাঁর ব‍্যতিক্তম নই। আজ মঙ্গলবার ২০ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ ছিলো উপমহাদেশের অন‍্যতম প্রাচীন সাহিত্য সংসদ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ ( কেমুসাস ) আয়োজিত সিলেটের অন‍্যতম প্রধান ষোড়শ কেমুসাস বইমেলা ২০২২ এর ১০ দিনের সমাপনী দিন। তাই সকালেই স্থির করেছিলাম আজকে সন্ধ্যায় মেলায় লেখক-পাঠকদের সাথে মেলবন্ধনে যাব। মেলা শুরু হয় বিকেল ৩ টায় শেষ রাত ৯ টায়। সন্ধ্যা হতেই তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে গেছিলাম, এর আগেও অনেকবার কেমুসাস যাওয়া হয়েছে। তাছাড়াও লেখাপড়ার সুবাদে সিলেটে বসবাসের ৩ মাস অতিক্রম করতেছি, তাই কমবেশি পথঘাট চেনা। আখালিয়া থেকে আম্বরখানা পয়েন্ট তারপর সেখান থেকে ১০ টাকা রিকশা ভাড়ায় দরগা গেইট সংলগ্ন কেমুসাস প্রাঙ্গণে মেলা। মেলা পৌঁছনোর আগে পর্যন্ত নিঃসঙ্গই ছিলাম, পৌঁছেই গেটে পেয়ে গেলাম বিখ্যাত এমসি কলেজের কবিতা পরিষদ প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ত্রৈমাসিক জাগরণী’র সম্পাদক তরুণ কবি মইনুল হাসান আবির ভাইকে। একসঙ্গে মেলার ভেতরে যেতে শুরু করলাম। আজকে মেলার শেষ দিন, মুটামুটি ভীড়। প্রত‍্যেক স্টলের সামনেই বই হাতে নেড়েচেড়ে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখছিলেন পাঠকেরা। তাছাড়াও আজকে লেখকদের আগমন কম ছিলো না। মেলার ভেতরে যেতে যেতেই দেখা পেলাম তরুণ ছড়াকার নাঈমুল ইসলাম গুলজার ও কেমুসাস তরুণ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কবি আবদুল কাদির জীবন ভাইকে। বইমেলার শেষ দিন সবাই একসাথে হাঁটতে হাঁটতে মেলায় আসা পাঠকদের সঙ্গে ফ্রেম বন্দিও কম হলো না। এবারের কেমুসাস বইমেলায় অনেক স্টল এসেছে। সরলতার স্টলে পেয়ে গেলাম আমার লেখা ছড়ার বই ছড়ার ঝলক যদিও বইটি প্রকাশ করেছে কবিনগর বার্তা। স্টলেই ছিলেন সিলেটের বিশিষ্ট ছড়াকার শাহাদাত বখ্ত শাহেদ ও ছাদির হুসাইন। তারাও আমাকে দেখে খুশি হলেন। আমি আর আবির ভাই মেলায় অনেক ঘুরাঘুরি করলাম বই কিনলাম। মেলায় দেখা হল সিলেটের আরেক জনপ্রিয় ছড়াকার ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান আংকেলের সাথে। আমরা একসঙ্গে মেলায় অনেকক্ষণ সময় কাটালাম। সব শেষে আমি আর আবির ভাই সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম। এই দশ দিনে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু আজকে আমার অন‍্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে, আজকে একসঙ্গে সকল লেখকদেরও দেখা পেয়ে ভালো লেগেছে। রিকশা করে ফিরবার সময় মনে মনে বলছিলাম আগামী বছর আবার দেখা হবে কেমুসাস বইমেলা।