স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ইজারাকৃত থলেরবন্দ জলমহালে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং জাল) দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মাছ শিকার অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন থলেরবন্দ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সমিতিটি সংশ্লিষ্ট জলমহাল ইজারা নিয়ে ইজারার শর্ত অনুযায়ী মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ করে আসছে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু জলমহালের আশপাশে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং জাল) ব্যবহার করে মাছ শিকার করায় মাছের পোনা ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। এতে জলমহালের মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জলমহালে একটি অভয়াশ্রম ও একটি বিল নার্সারি রয়েছে। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করা না হলে এসব সংরক্ষণ কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে।
এদিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও থলেরবন্দ জলমহালে রিং জাল দিয়ে মাছ শিকারের ছবি পাওয়া গেছে। এতে অভিযোগের পরও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন বলেন, জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।একই সঙ্গে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ করে জলমহালের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ঢাকা
,
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অভিযোগের পরও বন্ধ হয়নি নিষিদ্ধ রিং জালে মাছ শিকার শান্তিগঞ্জে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের
-
জনস্বার্থে নিউজ ২৪ ডেস্ক : - আপডেট সময় ০৭:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- ৫২৪ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

















