ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ Logo মহি উদ্দিন মহিমের অর্থায়নে বুড়ুমপুরে নতুন জামে মসজিদের উদ্বোধন Logo শান্তিগঞ্জে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কৃষকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আশ্বাস Logo বিরোধের জেরে প্রশাসনের হেফাজতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন Logo শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে কৃষকদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করল আয়ূব আলী মাংসের দোকান Logo পাথারিয়া ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ Logo শান্তিগঞ্জের পাথারিয়ায় কৃষকদের নিয়ে উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo যুবলীগ নেতা সুহেলের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা Logo দিরাইয়ের ভাটিপাড়ায় সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান স্বপন দাস

‘সরকারি অনুদানে নির্মিত শিশুতোষ ছবিগুলোর হদিস মেলে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘এখন বিভিন্ন উৎসব হচ্ছে। সরকার শিশুতোষ চলচ্চিত্রের জন্য অনুদানও দিচ্ছে। প্রত্যেক বছর একটা দুইটা ছবিকে দেওয়া হয়। দু-একটা হয়তো আমি দেখেছি। বাকি ছবিগুলো কোথায় যে যায়, তার হদিস মেলে না। সরকার তো টাকা দিচ্ছে। সেগুলো কোথায় যাচ্ছে। কেউ দেখে কি না, কোনো খবর পাওয়া যায় না। এটা ভাববার বিষয়।’

১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে বিকেলে তিন দিনব্যাপী শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী টানা হয়।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এখন মূলধারার সিনেমাকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে তুলনামূলক বেশি। কিন্তু মূলধারার সিনেমার প্রযোজক থাকে। যারা স্বাধীনভাবে কষ্ট করে সিনেমা বানায় তাদের এই অনুদান দরকার সবচেয়ে বেশি।

বিকেলে এই সংস্কৃতিজনের হাত থেকে পুরস্কার নেন উৎসবের বিজয়ী নির্মাতারা। এবার ২টি প্রতিযোগিতা বিভাগে পুরস্কার পায় ৫টি চলচ্চিত্র। বাংলাদেশি শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ৩টি ও বাংলাদেশি তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ২টি পুরস্কার পায়। বাংলাদেশি শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে সেরা প্রথম ছবি লালাবাই, নির্মাতা অমিত্রাক্ষর বিশ্বাস। দ্বিতীয় ছবি অর্ডার, নির্মাতা মোহাম্মদ নিয়াজ হাসান এবং তৃতীয় ছবি ইউফোরিক প্যারানয়া, নির্মাতা ইরতিজা আলম জয়িতা ও আমিনুল ইসলাম নিলয়।

বাংলাদেশি তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে সেরা প্রথম ছবি প্রথাসিদ্ধ, নির্মাতা মুসতাক মুজাহিদ। আর দ্বিতীয় ছবি আগুয়ান সান বিহাইন্ড দ্যা হরাইজন, নির্মাতা নভেরা হাসান নিক্কন।

বাংলাদেশি শিশুদের নির্মিত প্রতিযোগিতা বিভাগে এবার ১৭টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, ৩টি পুরস্কার পেয়েছে। বিশেষ চলচ্চিত্র বিভাগে ৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। তরুণ বাংলাদেশি নির্মাতা বিভাগে ৩৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, পুরস্কার পেয়েছে ২টি। আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ২ হাজার ৭০০ বেশি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, প্রদর্শিত হয়েছে ৭৫টি। এর মধ্যে থেকে ১টি সেরা ও ১ জন সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা নির্বাচিত হয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

Janasarthe 24

আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া প্রতি মুহুর্তের খবর দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আমরা আমাদের অনলাইনে তা প্রকাশ করে কৃতজ্ঞ হবো। আমাদের প্রতি মুহুর্তের খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আজিজ

‘সরকারি অনুদানে নির্মিত শিশুতোষ ছবিগুলোর হদিস মেলে না’

আপডেট সময় ০৭:৩৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘এখন বিভিন্ন উৎসব হচ্ছে। সরকার শিশুতোষ চলচ্চিত্রের জন্য অনুদানও দিচ্ছে। প্রত্যেক বছর একটা দুইটা ছবিকে দেওয়া হয়। দু-একটা হয়তো আমি দেখেছি। বাকি ছবিগুলো কোথায় যে যায়, তার হদিস মেলে না। সরকার তো টাকা দিচ্ছে। সেগুলো কোথায় যাচ্ছে। কেউ দেখে কি না, কোনো খবর পাওয়া যায় না। এটা ভাববার বিষয়।’

১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে বিকেলে তিন দিনব্যাপী শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী টানা হয়।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এখন মূলধারার সিনেমাকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে তুলনামূলক বেশি। কিন্তু মূলধারার সিনেমার প্রযোজক থাকে। যারা স্বাধীনভাবে কষ্ট করে সিনেমা বানায় তাদের এই অনুদান দরকার সবচেয়ে বেশি।

বিকেলে এই সংস্কৃতিজনের হাত থেকে পুরস্কার নেন উৎসবের বিজয়ী নির্মাতারা। এবার ২টি প্রতিযোগিতা বিভাগে পুরস্কার পায় ৫টি চলচ্চিত্র। বাংলাদেশি শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ৩টি ও বাংলাদেশি তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ২টি পুরস্কার পায়। বাংলাদেশি শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে সেরা প্রথম ছবি লালাবাই, নির্মাতা অমিত্রাক্ষর বিশ্বাস। দ্বিতীয় ছবি অর্ডার, নির্মাতা মোহাম্মদ নিয়াজ হাসান এবং তৃতীয় ছবি ইউফোরিক প্যারানয়া, নির্মাতা ইরতিজা আলম জয়িতা ও আমিনুল ইসলাম নিলয়।

বাংলাদেশি তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে সেরা প্রথম ছবি প্রথাসিদ্ধ, নির্মাতা মুসতাক মুজাহিদ। আর দ্বিতীয় ছবি আগুয়ান সান বিহাইন্ড দ্যা হরাইজন, নির্মাতা নভেরা হাসান নিক্কন।

বাংলাদেশি শিশুদের নির্মিত প্রতিযোগিতা বিভাগে এবার ১৭টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, ৩টি পুরস্কার পেয়েছে। বিশেষ চলচ্চিত্র বিভাগে ৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। তরুণ বাংলাদেশি নির্মাতা বিভাগে ৩৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, পুরস্কার পেয়েছে ২টি। আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ২ হাজার ৭০০ বেশি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল, প্রদর্শিত হয়েছে ৭৫টি। এর মধ্যে থেকে ১টি সেরা ও ১ জন সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা নির্বাচিত হয়।